চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেবে বিসিবি

প্রায় দুই মাস ধরে বন্ধ দেশের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কর্তারা ঘরে বসে অনলাইনে সারছেন দরকারি কাজ। ১৭ মার্চের পর থেকে বন্ধ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। ক্রিকেটাররাও এখন ঘরে। এভাবে দুমাস কাটানোর পর একটু হলেও আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন তারা।

খেলা কবে শুরু করা যায়- এ আলোচনা হচ্ছে। মাঠে খেলা গড়ানোর মতো পরিস্থিতি আছে কিনা সেটিই এখন মূল ভাবনার জায়গা। ঈদুল ফিতরের পর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শুরুর দাবি জানিয়েছে সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব।

বিজ্ঞাপন

ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (কোয়াব) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) চিঠি দিয়ে প্রায় দুমাস ধরে বন্ধ থাকা লিগ চালুর আবেদন করেছে। এ অবস্থায় বিসিবি পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস তুলে ধরলেন বাস্তবতা।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

‘আগে আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে চাইছি। দেখতে চাচ্ছি পরিস্থিতির দ্রুত উন্নয়ন হয় কিনা। করোনার সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে, তাতে ঈদের পরে লিগ শুরু করা সম্ভব? আগামী একসপ্তাহ পরে পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে তা কেউই জানি না। গতকালও ১০৩৪ জন করোনা শনাক্ত হল। এমন পরিস্থিতিতে কেউ কি ঝুঁকি নিতে চাইবে? ১৬ মার্চ রাষ্ট্রীয়ভাবে সবধরনের খেলা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ঘরোয়া থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক, সবধরনের খেলা ফেরাতে সরকারের অনুমতি লাগবে। বিষয়টি এমন না বিসিবিকে বললেই খেলা ফেরানো সম্ভব।’

‘আমরা আগে দেখি পরিস্থিতি কোন দিকে যায়। জুনে না হোক জুলাই পর্যন্ত দেখি। তখন তো পরিস্থিতি বুঝতে পারব তাই না? সরকার যখন মনে করবে খেলা শুরু করা সম্ভব, আমাদের নির্দেশ দেবে, তখন শুরু করতে পারব। তাছাড়া ক্লাব কর্তৃপক্ষ এখন টাকা দেবে কোথা থেকে? করোনায় তিন মাস তাদের কোনো ব্যবসা নেই। তাদেরও তো টাকাটা যোগাড় করতে হবে। হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া খুবই কঠিন। আমরাও চাই খেলা হোক। কিন্তু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নয়।’

১৫ ও ১৬ মার্চ প্রথম রাউন্ড মাঠে গড়ানোর পর দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটলে লিগ স্থগিতের ঘোষণা দেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। ঈদের পরপর খেলা শুরু করা না গেলে এ মৌসুমের লিগ বাতিল হয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দেবে। যে কারণে কোয়াবের দাবি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে খেলা মাঠে ফেরানোর।