চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

পদ্ধতির বিতর্কে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড স্থগিত

যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পদ্ধতি বেআইনি হওয়ার আশঙ্কায় তা বাস্তবায়ন স্থগিত করেছে দেশটির  কেন্দ্রীয় বা ফেডারেল সরকার।

আগামী ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে দেশটির ইন্ডিয়ানা রাজ্যে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা ছিল। কিন্তু যে পদ্ধতিতে এসব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে চারজন বন্দী আইনি চ্যালেঞ্জ করেন।তাদের এই চ্যালেঞ্জ সফল হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে রায় দিয়েছেন একজন বিচারক।

বিজ্ঞাপন

গতমাসে অন্য একটি আদালতের আদেশে পঞ্চম ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড ইতোমধ্যেই স্থগিত করা হয়েছে।

ডিসট্রিক্ট জাজ টানিয়া এস চুটকান বুধবার বলেছেন, এই চার আসামীকে আদালতে তাদের মামলার শুনানি করতে না দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলে তাদের ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ হয়ে যেতে পারে।

বিজ্ঞাপন

তাদের মৃত্যুদণ্ড যেভাবে ইনজেকশন দিয়ে কার্যকর করা হবে সেটা নিয়েই এই শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর দীর্ঘ সময় ধরে মুলতবি থাকলেও দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার বছরের শুরুর দিকে এই মুলতবি প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা করেন। এরপরে বর্তমান সরকার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করে।

তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ড্রাগ একসাথে মিশিয়ে আসামীর শরীরে সেটি ইনজেকশনের সাহায্যে প্রবেশ করিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।কিন্তু গত জুলাই মাসে অ্যাটর্নি জেনারেল বিচার বিভাগকে পেনটোবারবিটাল নামের একটি ড্রাগ ব্যবহার করার জন্যে নির্দেশনা দেয়।এই ড্রাগের ফলে নার্ভাস সিস্টেম ধীরে ধীরে শিথিল হয়ে আসামী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

এ ধরণের মৃত্যুদণ্ড কেন্দ্রীয় আইনের বিরুদ্ধে যেতে পারে বলে রায় দিয়েছেন বিচারক চুটকান। যুক্তরাষ্ট্রের যেসব অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে সেগুলোতে এ বিষয়ে রয়েছে একেক ধরনের আইন।

তিনি বলেন, ‘ফেডারেল ডেথ পেনাল্টি অ্যাক্ট মৃত্যুদণ্ডের এই বিধির ব্যতিক্রম করে না এবং ফাঁসির কার্যধারা প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ফেডারেল পৃথক চিন্তাভাবনা করে না।

Bellow Post-Green View