চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নোয়াখালীর চরাঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কম

প্রায় দেড় বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সময় নোয়াখালীর চরাঞ্চলের অনেক স্কুলেই শিক্ষার্থীর উপস্থিতি অর্ধেকে নেমে এসেছে। ছাত্রীদের অনেকের বিয়ে হয়ে গেছে। ছাত্ররা নদীতে মাছ ধরা এবং বিভিন্ন কারখানায় কাজে যুক্ত হয়ে পড়েছে। আবার কারো কারো স্কুলই নদীভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে।

নোয়াখালীর হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নে হাতিয়া জনকল্যাণ শিক্ষা ট্রাস্ট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ভূমিহীন বাজার দাখিল মাদ্রাসাসহ চরাঞ্চলের সবক’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীর উপস্থিতি অনেক কম।

গেল কয়েক বছরে নদীভাঙনে বিলীন হয়েছে ৬টি বিদ্যালয়। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর ক্লাস করার সুযোগ নেই। করোনার সময় মাদ্রাসা খোলা থাকায় অনেকে মাদ্রাসায় ভর্তি হয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন

শিক্ষার্থীদের আবারও বিদ্যালয়মুখী করতে নানামুখী উদ্যোগ নিচ্ছেন শিক্ষক এবং অভিভাবকরা।

করোনাকালে অনলাইন ক্লাস এবং পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও উপরের শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীর পাঠ নিতে সমস্যা হচ্ছে।

করোনাকালে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফেরাতে এখনো কোনো সরকারি নির্দেশনা আসেনি বলে জানান জেলা শিক্ষা অফিসার নুর উদ্দিন মো. জাহাঙ্গীর।

পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া এবং দারিদ্র্য মোকাবেলা- দুটোকে সমন্বয় করে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা।

বিজ্ঞাপন