চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নেপালে অনিশ্চিত হাজারো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত

নেপালে ৮০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্পের কারণে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার শিশুর ভবিষ্যত। বেশিরভাগ স্কুল ভবন বিধ্বস্ত হওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতিতে কেউ শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর কথাই ভাবতে পারছে না।

শিক্ষার্থীরা বলছে, থাকার জায়গা আর পর্যাপ্ত খাবারের অভাবের সঙ্গে শিক্ষা জীবন নিয়েও তারা চিন্তিত।

বিজ্ঞাপন

কাঠমান্ডুর পাশের জেলা ললিতপুরের আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, আশপাশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কিছুটা কম ক্ষতি হওয়ায় সেখানেই আশ্রয় কেন্দ্র খুলেছে নেপাল সরকার। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও চিকিৎসা কেন্দ্র পরিচালনা করছে ওই স্কুল মাঠ থেকে।

নেপালে শিক্ষা কার্যক্রম এখন পুরোপুরি বন্ধ। স্বাভাবিক জীবনযাত্রা শুরু না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার পরিবেশও স্বাভাবিক হবে না বলে সবাই মনে করছেন।

বিজ্ঞাপন

তবে শিক্ষার্থীর‍া অনেকে আশ্রয় কেন্দ্র থেকেই স্কুলে যেতে চায়। তাদের কেউ কেউ বলেছে, ত‍াদের এখন স্কুল নেই, স্কুল ভবন ধসে গেছে। কিন্তু তারা স্কুলে যেতে চায়।

আবার অনেকে বলছে, তারা ঠিকভাবে খেতেই পাচ্ছে না। তারা স্কুলে গিয়ে তারা কী করবে!

বাংলাদেশের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী ভূমিকম্পের পরপরই দেশে ফিরে গিয়ে বাংলাদেশী চিকিৎসা কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তিনি বলেন, বিধ্বস্ত কাঠমান্ডুর মতোই এখন বিধ্বস্ত তাদের শিক্ষা কার্যক্রম।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের  বিপদের সময় সাহায্য করেছে বলে সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জানান। তবে সবকিছুর সঙ্গে তাদের শিক্ষার ভয়াবহ যে ক্ষতি হয়েছে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে অনেক সময় লাগবে বলে মনে করছেন তিনি।।

নেপালের ভূমিকম্পে বহু মানুষের নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহতদের সংখ্যা লাখের ওপর ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করছে নেপালের স্বাস্থ্য বিভাগ। আহতদের মধ্যে বড় একটি অংশ হলো স্কুল শিক্ষার্থী।