চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘নির্ভয়, মারকুটে’ জোন্সকে আজীবন মনে রাখতে চান টেন্ডুলকার

বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ের হোটেলে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ৫৯ বছর বয়সে ক্রিকেট দুনিয়াকে কাঁদিয়ে চলে গেছেন ডিন জোন্স। অস্ট্রেলিয়ার এই কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান ও ধারাভাষ্যকারের আকস্মিক মৃত্যুতে এখনো শোক কাটিয়ে উঠতে পারেনি ক্রিকেট বিশ্ব।

১৯৮৪ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে মাঠ মাতিয়েছেন জোন্স। ছিলেন ১৯৮৯ সালের অ্যাশেজজয়ী দলের সদস্যও। সেই বছর আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ভারতীয় কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের।

Reneta June

পাঁচ বছরের আগে-পিছে অভিষেক হওয়ায় জোন্সকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছেন শচীন। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রয়াত কিংবদন্তিকে নিয়ে নিজের স্মৃতির ঝাঁপি খুলে বসেছেন লিটল মাস্টার।

বিজ্ঞাপন

‘১৯৯১ সালে আমি যখন অস্ট্রেলিয়া যাই তখন এমন সব ক্রিকেটারদের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পেয়েছি, যাদের দেখে আমি বড় হয়েছি। আমার মনে আছে দলটায় অ্যালান বোর্ডার, ডেভিড বুন, জিওফ মার্শ, ব্রুস রেইড, ক্রেইগ ম্যাকডারমটের খেলোয়াড়রা ছিলেন। ১৩-১৪ বছর বয়সে আমি এই বোলারদের দেখতাম আর একটা সময় এদের বিপক্ষেই খেলেছি যেমন মার্ক ওয়াহ, স্টিভ ওয়াহ আর অবশ্যই ডিন জোন্স। ’

‘জোন্সের বিপক্ষে খেলতে পারাটা সবসময়ই বিশেষ কিছু। রেকর্ড বলবে ৯০ দশকে সবচেয়ে শক্তিশালী দলটা ছিলো তাদের এবং জোন্স ছিলেন সেই দলের অংশ।’

শচীনের মতে জোন্সের ভয়-ভীতিহীন ক্রিকেটই তাকে ক্রিকেট বিশ্বে অমর করে রাখবে, ‘আমার কাছে সবসময় মনে হতো ডিন জোন্স ছিলেন ভয়-ভীতিহীন। খালি ওয়ানডেই নয়, টেস্টেও তার বেশ কিছু অসাধারণ ইনিংস ছিলো। তখন শুধু ওয়ানডে আর টেস্ট ক্রিকেটই ছিলো কিন্তু তিনি ছিলেন ভীতিহীন আর দেহের ভাষা প্রতিপক্ষের মনে ভয় ধরিয়ে দিতো। এই কারণেই তাকে আমি শ্রদ্ধা করতাম। ’