চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নেই

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান ও ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘উগ্রবাদ-সহিংসতা প্রতিরোধে তরুণদের সম্পৃক্ততার ‘শীর্ষক নাগরিক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে মানুষের সচেতনতা বেড়েছে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতাও বেড়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে আমাদের নানাবিধ প্রস্তুতি রয়েছে। ইতোপূর্বে দেশের বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গি বিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়েছে, এর ফলে জঙ্গি সংগঠনগুলোর অপারেশনাল ক্যাপাসিটি অনেক কমে গেছে। তবুও জঙ্গিবাদ তাদের মগজে এখনও রয়েছে।

তারা নির্বাচনকে ঘৃণা করে, গণতন্ত্রকে ঘৃণা করে। তাই কেউ যাতে নির্বাচন কেন্দ্রিক কোনো সহিংসতা করতে না পারে সেজন্য আমাদের প্রস্তুতি আছে।

‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নেই। তবে এতে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কারণ নেই, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে’–যোগ করেন তিনি।

কাউন্টার টেররিজম প্রধান বলেন, ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনেরর তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।

আমরা নির্বাচন কমিশনের অধীনে কাজ করছি। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে এবং নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন আইনী পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে।

কেউ ফৌজদারী অপরাধে লিপ্ত না হলে এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লংঙ্ঘন না হলে কারো বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সহিংসতার ঘটনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন: নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী মিছিল-সমাবেশ করে মনোনয়ন ফরম উত্তলন বা জমা দেওয়ার সুযোগ নেই। যে কোন অবৈধ জনতা ছত্রভঙ্গ করার সক্ষমতা ডিএমপির ছিল। বড়সড় সমাবেশ ডিসপাচ (ছত্রভঙ্গ) করা আমাদের যে সক্ষমতা তার বিশ্বজুড়ে সুনাম রয়েছে।

সেদিন আমরা শক্তি প্রয়োগ করতে চাইলে সেটা মেটার অব মিনিটের ব্যপার ছিল। কিন্তু আমরা তা না করে তাদেরকে অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু তারা হেলমেটসহ লাঠিসোটা নিয়ে পুলিশকে আক্রমন করেছিল। এতো লাঠিগুলোতো আর মাটির নিচ থেকে আসেনি। পুলিশের দুটি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং পুলিশের গাড়ির উপর উঠে যে লাফালাফির দৃশ্য আপনারা দেখেছেন এটি কোনভাবেই আইনি কর্মকাণ্ড নয়।

তিনি বলেন, সেখানে অনেক মানুষ ছিল, কিন্তু যারা সুনির্দিষ্টভাবে হামলায় জড়িত ছিল ফুটেজ দেখে তাদেরকে শনাক্ত করা হয়েছে।

শুধুমাত্র তাদেরকে কেন্দ্র করেই তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিনা কারণে কাউকে এই মামলায় আসামী করা হয়নি।

‘কথা দিচ্ছি, শুধুমাত্র ফোজদারী অপরাধ সংগঠিত হলেই আমরা আইন প্রয়োগে বাধ্য হবো’ যোগ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন