চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নিরাপত্তাহীনতায় সাংবাদিক নদীর শিশু কন্যা

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘আনন্দ টিভি’র পাবনা প্রতিনিধি এবং অনলাইন পোর্টাল জাগ্রত বাংলার সম্পাদক ও প্রকাশক সুবর্ণা নদী হত্যার ৩ দিন অতিবাহিত হলেও এর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হয়নি। নদীর মায়ের দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার হলেও অন্যরা এখনো ধরা-ছোঁয়ারা বাইরে। এ নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে নদীর মা ও শিশু কন্যাসহ তার পরিবার।

সুবর্ণা আক্তার নদী হত্যার পরদিন তার মায়ের দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি ইদ্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস এর মালিক ও নদীর সাবেক শ্বশুর আবুল হোসেনকে পুলিশ গ্রেপ্তার দেখায়।

আবুল হোসেনকে ঘটনার রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ। এছাড়া ৩ দিন অতিবাহিত হলেও এর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হয়নি। এ মামলার অন্য আসামীরা এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বাদীর পরিবার।

এদিকে নদীর একমাত্র শিশু কন্যা জান্নাত (৭) এবং তার বিধবা মাসহ পুরো পরিবারের ভরণ পোষণের দায়িত্ব পালন করতেন নদী। কিন্ত নদী না থাকায় তার মেয়েসহ ওই পরিবারের কী হবে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন পরিবারের সদস্যসহ মানবাধিকার কর্মীরাও।

Advertisement

পুলিশ বলছে, নদী হত্যা রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। ইতোমধ্যে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পাবনার রাধানগরে আদর্শ গার্লস স্কুলের সামনে ভাড়া বাসায় নদী তার একমাত্র মেয়ে শিশু জান্নাত এবং মা মর্জিনা বেগমকে নিয়ে বাস করতেন। মঙ্গলবার আনুমানিক রাত সোয়া দশটার দিকে কাজ শেষে তিনি বাসার গেটের কাছে পৌঁছে কলিংবেল বাজালে পেছন থেকে ৪ থেকে ৫ জন দুর্বৃত্ত নদীর উপর হামলা চালায়।

তারা নদীকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় তথ্য মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু নদী হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসনকে।