চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ছয় মাস পরে নিউজিল্যান্ডে একজন করোনায় আক্রান্ত, দেশব্যাপী লকডাউন

ছয় মাস পরে নিউজিল্যান্ডে আবার একজনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ায় সেখানে দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

অকল্যান্ডে একজন পুরুষের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ায় সেখানে ১ সপ্তাহ লকডাউন থাকবে। তবে দেশটির অন্যান্য অংশে তিনদিন লকডাউন থাকবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

নতুন শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিটি করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত ধরে নিয়েই কাজ চলছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আক্রান্ত ব্যক্তিটি উপকূলীয় শহর করোম্যান্ডেল ভ্রমণ করেন, সেখানেও সাত দিন লকডাউন চলবে।  প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন কঠোর ‘লেভেল ৪’ নিয়ম এর প্রয়োগ দরকার বলে মনে করেন। এই লেভেল অনুসারে স্কুল, অফিস ও অন্যান্য ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ থাকবে, শুধু জরুরি সেবা চালু থাকবে।

তিনি বলেন, আমি নিউজিল্যান্ডকে আশ্বস্ত করতে চাই যে আমরা এসব ঘটনাবলীর জন্য পরিকল্পনা করে ফেলেছি।  এর আগেও কঠোর হওয়া ও দ্রত শুরু করার সুফল আমরা দেখেছি।

আক্রান্ত ব্যক্তির বয়স ৫৮ বছর।  গত বৃহস্পতিবার থেকে তিনি আক্রান্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে।  তার মাধ্যমে অন্তত ২৩টি জায়গায় সংক্রমণের শঙ্কা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

লকডাউন ঘোষণার পরই অকল্যান্ডের সুপারমার্কেটে প্রবল ভীড় দেখা যায়।  কর্মকর্তারা বলছেন, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ভীতিতে দ্রুত শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দেখানো দরকার। কারণ নতুন করে সংক্রমণ হওয়া, সীমান্ত অথবা কোয়ারেন্টাইন সুবিধার মধ্যে কোনো পরিস্কার সংযোগ দেখা যায়নি।

নিউজিল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য বলছে, দেশটির সীমান্তে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে চিহ্নিত হওয়া সবগুলো করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছিলো ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের কারণে।

আরডার্ন বলেন, যদি আমরা এর উপরে উঠতে ব্যর্থ হই তাহলে কি হতে পারে, তা আমরা অন্য দেশগুলোতে দেখেছি। আমরা শুধু একবারই সুযোগ পাই।

টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকে ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবেই অভিহিত করেন।

সীমান্তের ভেতরে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সফলতা দেখিয়েছে নিউজিল্যান্ড। যদিও তাদের আন্তর্জাতিক সীমান্ত দীর্ঘসময়ব্যাপী বন্ধই আছে।

সেখানে ভ্যাকসিন প্রদানও চলছে ধীর গতিতে। এর মধ্যে পুরোপুরি ভ্যাকসিন নিয়েছে প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ আর একডোজ গ্রহণ করেছে ৩৩ শতাংশ জনগণ।