চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নতুন শনাক্ত ৫ হাজার ৪২, মৃত্যু ৪৫

করোনাভাইরাস

দেশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের ৩৮৮তম দিনে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫ হাজার ৪২জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। আর মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৯৯৪ জনে।

গতকাল সোমবার রেকর্ড ৫ হাজার ১৮১ জন শনাক্তের পর আজ মঙ্গলবার শনাক্তের হার বেড়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ২৬ হাজার ৬২০টি নমুনা পরীক্ষায় ৫ হাজার  ৪২ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ০৫ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ২ হাজার ১৬২ জন।

বিজ্ঞাপন

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৩৫ লাখ ১৭ হাজার ১১৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১১ লাখ ২৬ হাজার ৫৩২টি নমুনা। অর্থাৎ, মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৬ লাখ ৪৩ হাজার ৬৪৫টি নমুনা।

এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৫ হাজার ৯৩৭ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ১৬২ জনসহ মোট ৫ লাখ ৪০ হাজার ১৮০ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৯ দশমিক ১৫ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৪৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ২৮ জন পুরুষ ও ১৭ জন নারী। ৪৫ জন সবারই মৃত্যু হয়েছে  হাসপাতালে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা আট হাজার ৯৯৪। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৪৮ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৭৭৪ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭৫ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং ২ হাজার ২২০জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ২৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৪৫ জনের মধ্যে দশ বছর বয়সী ১ জন,  বিশোর্ধ্ব ২ জন, ত্রিশোর্ধ্ব ২ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ৭ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৮ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ২৫ জন রয়েছেন। আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ২ জন, খুলনা বিভাগে ২ জন ও সিলেট বিভাগে ১ জন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১২ কোটি ৮৩ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ২৮ লাখ ৬ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১০ কোটি ৩৫ লাখের বেশি।

 

বিজ্ঞাপন