চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নতুন শনাক্ত ১৫০৪, মৃত্যু ২৬

করোনাভাইরাস

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৪৪০তম দিনে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ২৬ জনের মৃত্যুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৩১০ জনে।

করোনায় গত মাসের ১৯ তারিখ সর্বোচ্চ ১১২ জনের মৃত্যু হয়। গতকাল ৩৬ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় (অ্যান্টিজেন টেস্টসহ) ১৮ হাজার ২৯৪টি নমুনা পরীক্ষায় এক হাজার ৫০৪ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার আট দশমিক ২২ শতাংশ।

তবে শুরু থেকে মোট পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

সরকারী ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত ৪২ লাখ ৩৮ হাজার ৭২২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১৫ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫৫টি নমুনা। অর্থাৎ, মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৭ লাখ ৯৩ হাজার ১৭৭ নমুনা।

বিজ্ঞাপন

এর মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন সাত লাখ ৮৬ হাজার ৬৯৮ জন। তাদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৫২৯ জনসহ মোট সাত লাখ ২৯ হাজার ৩৯ জন সুস্থ হয়েছেন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ২৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মধ্যে ১৯ জন পুরুষ ও ৭ জন নারী। তাদের সবারই হাসপাতালে (সরকারীতে ২৩ জন, বেসরকারীতে ৩ জন) মৃত্যু হয়েছে। তারাসহ মৃতের মোট সংখ্যা ১২ হাজার ৩১০। মোট শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৫৬ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত আট হাজার ৯০৩ জন পুরুষ মারা গেছেন যা মোট মৃত্যুর ৭২ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং তিন হাজার ৪০৭ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছেন যা মোট মৃত্যুর ২৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ২৬ জনের মধ্যে একুশ থেকে ত্রিশ বয়সী এক জন, ত্রিশোর্ধ্ব এক জন, চল্লিশোর্ধ্ব দুই জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব আট জন এবং ষাটোর্ধ্ব ১৪ জন রয়েছেন। আর বিভাগওয়ারী হিসাবে ঢাকা বিভাগে তিন জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ছয় জন, রাজশাহী বিভাগে চার জন, খুলনা বিভাগে দশ জন, সিলেট বিভাগে এক জন, রংপুর বিভাগে এক জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে এক জন।

করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে এখন পর্যন্ত ১৬ কোটি ৫৮ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৩৪ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি মানুষ। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১৪ কোটি ৬৫ লাখের বেশি।