চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নতুন বছরকে বরণে বিশ্বজুড়ে বর্ণিল আয়োজন

মহামারিতে বিপর্যস্ত ২০২০ কে বিদায়

করোনা মহামারি নিয়েই বিদায় নিলো ২০২০। শুরু হলো ইংরেজি নতুন বছর ২০২১। করোনা মোকাবেলার প্রত্যয় নিয়ে আমরা পা রাখলাম নতুন পথে।

এ শুভলগ্নে সবার জন্যে চ্যানেল আই এর ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা।

নববর্ষ মানেই সকলের মাঝে জাগায় প্রাণের নতুন স্পন্দন, নতুন আশা, নতুন সম্ভাবনা। বিগত বছরের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা পেছনে ফেলে নতুন বছরে অমিত সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাওয়া। স্বভাবতই নতুন বছর নিয়ে এবার মানুষের প্রত্যাশা একটি করোনা মুক্ত বিশ্ব। করোনা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে দেশ আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে, এটাই নতুন ইংরেজি বছরে সবার প্রত্যাশা।

এ বছরের সকল দুঃখ-বেদনা ভুলে আজ মধ্যরাতে বিশ্বের সাথে বাংলাদেশও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন আশা নিয়ে বরণ করছে নতুন সাল ২০২১ কে।

থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপনে রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে কূটনৈতিক এলাকাগুলোর প্রবেশপথে যানবাহন ও ব্যক্তিদের তল্লাশি করছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

ইংরেজি নতুন বছর ইতোমধ্যে বরণ করে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। প্রতি বছরের মতো এ বছরও নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে আতশবাজির আয়োজন করে অস্ট্রেলিয়া। সিডনি হার্বার ব্রিজের আয়োজনে এবার বাতিল করা হয়েছে গণজমায়েত। তবে প্রথামাফিক আতশবাজিতে আলোকোজ্জ্বল সিডনির দেখা মিলেছে ঠিকই।

অন্যদিকে সময়ের তারতম্যের কারণে বিশ্বের প্রথম শহর হিসেবে নতুন বছরকে বরণ করার সুযোগ পায় নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড শহর। ঘড়িতে স্থানীয় সময় রাত ১২টা বাজতেই প্রায় এক হাজার ফুট উচ্চতার স্কাই টাওয়ারের বর্ণিল আতশবাজির মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নিউজিল্যান্ডবাসী।

বিশ্বব্যাপী করোনার প্রকোপে অনেকটায় ম্লান হয়েছে বিভিন্ন দেশের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। আতশবাজি বন্ধসহ জনসমাগম প্রায় বন্ধ করেছে অনেকগুলো দেশ। নতুন ধরনের করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আগে থেকেই বর্ষবরণ অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। 

ফ্রান্সে যাতে কোনো ধরনের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান না হয় তার জন্যে এক লাখ মোবাইল পুলিশ মোতায়েন করার পাশাপাশি রাতব্যাপি কারফিউ জারি করা হয়েছে। সন্ধ্যা থেকেই প্যারিসের অর্ধেক মেট্রো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বার, রেস্টুরেন্ট এবং সাংস্কৃতিস অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

জার্মানিতে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত চলছে লকডাউন। সরকারের পক্ষ থেকে আতশবাজি বিক্রিসহ উন্মুক্ত স্থানে জনসমাগমে দেয়া হয়েছে কঠোর নির্দেশনা।

নেদার‌ল্যান্ডসে লকডাউন চলমান থাকায় হচ্ছে না বর্ষবরণের আয়োজন। অন্যদিকে তুরস্কে বছরের প্রথম দিন থেকে শুরু হচ্ছে চারদিনের লকডাউন।

চীন ও জাপান তাদের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান বাতিল করেছে। ভারতের দিল্লিসহ অনেকগুলো শহরে রাতে কারফিউ জারি করা হয়েছে।