চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ধীরে ধীরে সবই কি খুলে যাচ্ছে?

গণপরিবহনের পর এবার খুলে দেওয়া হচ্ছে শপিংমল। আগামীকাল শুক্রবার থেকে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা থাকবে। আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. রেজাউল করিমের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ৯ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কঠোর স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সাপেক্ষে দোকানপাট ও শপিংমল খােলা রাখা যাবে। আগামী ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এই ঘোষণা যেদিন এসেছে, সেদিন করোনায় এযাবতকালের সবচেয়ে বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে। একদিনে আক্রান্তের সংখ্যাও ছয় হাজারের বেশি। আক্রান্তের ও মৃত্যুর গ্রাফ অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে গত সপ্তাহ থেকে। ইংল্যান্ড ও সাউথ আফ্রিকার নতুন ধরণের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে দেশের জনগণ। ইতিমধ্যে ভয়াবহ হারে দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। অবস্থার গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার ৭ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে। কিন্তু সেই লকডাউনের চিত্র একটি কাগুজে পরিস্থিতিতে পরিণত হয়েছে।

প্রতিদিন সামাজিক মাধ্যমের নানা পোস্ট আর সংবাদমাধ্যমের হেডলাইনজুড়ে আইসিইউয়ের অভাব আর মৃত্যুর সংবাদে ভারাক্রান্ত। এই পরিস্থিতির মধ্যে লকডাউন ঘোষণার ২/৩দিনের মধ্যে গণপরিবহন খোলা হলো, আবার খোলা হচ্ছে শপিংমল। ধীরে ধীরে হয়তো সবকিছু স্বাভাবিক হবে। তবে সেটা কি এখনই হতে হবে?

আমরা চাই করোনার পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসুক। স্বাভাবিক হোক মানুষের জনজীবন, স্বাভাবিক হোক ব্যবসা বাণিজ্য। তবে এই অবস্থায় আসতে কিছুদিন ধৈর্য্য ধরে লকডাউনসহ স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে সবাইকে, না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সবাইকে নেতিবাচক মূল্য দিতে হবে। আমাদের আশাবাদ, সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে প্রশাসন-নীতিনির্ধারক সবাই এ বিষয়ে মনোযোগী হবেন।