চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ধর্মনিরপেক্ষতা আসলে কী?

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেছেন: ধর্মনিরপেক্ষ বলতে মূলত বোঝানো হয়ে থাকে যে রাষ্ট্র কোনো ধর্মকেই পক্ষপাত করে না। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় বহুবাচনিক সমাজ হবে, সবাই মিলেমিশে থাকবে।

‘‘কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর ৭৫’ পরবর্তী সময় থেকে শুরু করে ৯৬’ পর্যন্ত এই বিশ বছর বাংলাদেশকে ধর্মীয় জঙ্গিবাদের তীব্র পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পাকিস্তানি ধারায় দেশ পরিচালনায় উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল চরমে, যার রেশ বর্তমান সময়েও আমাদের বহন করতে হচ্ছে। সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিস্তার লাভ করেছে ধর্মান্ধতা ও মৌলবাদ, যা পরিত্যাগ করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।’’

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ মানবাধিকার ও পরিবেশ আন্দোলনের উদ্যোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘ধর্মনিরপেক্ষতার ভবিষ্যৎ: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এ সেমিনার আয়োজন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এসময় জবি উপাচার্য বলেন: নিজ ধর্মের প্রতি বিশ্বাসের সাথে সাথে অন্যের ধর্ম বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে, তাহলেই সমাজ থেকে হানাহানি, জঙ্গিবাদ দূর হবে। ধর্ম নিয়ে শ্রেষ্ঠত্ব উপলব্ধি ঠিক নয়, প্রকৃতিগতভাবেই এটার নিয়ন্ত্রণ হয়। শ্রেষ্ঠত্বের দাবি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে নতুবা সংঘর্ষ, অশান্তি চলতে থাকবে।

সেমিনারে ‘ধর্ম নিরপেক্ষতা মতবাদ: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার ও পরিবেশ আন্দোলনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ব্যারিস্টার ফারজানা বেগম। একই শিরোনামে আরেকটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লোক প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রিতু কুন্ডু।

এছাড়াও জবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী, আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এস. এম. মাসুম বিল্লাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাবের আহমেদ চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।

এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন।

Bellow Post-Green View