চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দ্রুত ফাইল জমা দিতে শামসুদ্দিন চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতির নির্দেশ

মিডিয়াতে বক্তব্য না  দিয়ে রায় বা আদেশের কপি দ্রুত রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে জমা দিতে বিচারপতি শামসুদ্দিনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা। আর আদালতের মর্যাদা রক্ষার জন্য সব বিচারপতিদের প্রতিও আহবান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরীরর সংবাদ সম্মেলনের পরপরই সুপ্রিম কোর্টের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জেনারেল আবু সৈয়দ দিলজার হোসেনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়।

Advertisement

এতে বলা হয়, ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারকার্য চলাকালীন সময়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী একটি প্রেস কনফারেন্স করেন যা ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে মাননীয় প্রধান বিচারপতির গোচরীভূত হয়। যদিও সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে এ ধরনের প্রেস কনফারেন্স নজিরবিহীন।’

‘প্রধান বিচারপতি আশা করেন, বর্তমান ও ভবিষ্যতে বিচারপতিরা কোর্টের পবিত্রতা ও মর্যাদা বজায় রাখার স্বার্থে এরূপ কাজ থেকে বিরত থাকবেন।’

এর আগে প্রেস কনফারেন্সে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. এ.এইচ.এম শামসুদ্দিন চৌধুরী উল্লেখ করেন, তার প্রিজাইডিং জজ, বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞাকে তার লেখা সমাপ্ত হওয়া রায় এবং আদেশগুলো গ্রহণের অনুরোধ করলে তিনি অপারগতা প্রকাশ করে বলেন, প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের লিখিত রায় ও আদেশ গ্রহণ করা যাচ্ছে না।

এ প্রসঙ্গে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ওই বক্তব্য প্রধান বিচারপতির গোচরে আসলে তিনি আপীল বিভাগে জ্যেষ্ঠ্যতম বিচারক বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি তাকে অবহিত করেন যে, সাবেক বিচারপতি এ.এইচ.এম শামসুদ্দিন চৌধুরী তার কাছে লিখিত রায় কিংবা আদেশ গ্রহণ করার জন্য জমা দেননি।’

‘প্রধান বিচারপতি আশা করেন, সাবেক বিচারপতি এ.এইচ.এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মিডিয়াতে মামলার রায় ও আদেশ সংক্রান্ত কোনো রূপ বক্তব্য না দিয়ে তার কাছে যতগুলো অনিষ্পত্তিকৃত রায়ের ফাইল রয়েছে, তা সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল অফিসে অতি সত্তর ফেরত প্রদান করবেন, যাতে বিচারপ্রার্থীদের আর ভোগান্তি না হয়।’

অবসরে যাওয়া আপীল বিভাগের বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তার লেখা
রায় ও আদেশের কপি আপিল বিভাগের বিচারপতি ওয়াহ্হাব মিঞার কাছে জমা দেয়ার
জন্য গেলে তা গ্রহণ না করায় তিনি প্রধান বিচারপতির কাছে পর পর দুটি চিঠি
দিয়েছেন।