চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাভরে কর্মীপুরুষ প্রণব সাহাকে স্মরণ

চ্যানেল আইয়ের জয়েন্ট এডিটর প্রণব সাহার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার। দিনটিতে তার আত্মার শান্তি কামনায় পারিবারিকভাবে প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

চ্যানেল আই গভীর শ্রদ্ধাভরে এ কর্মীপুরুষকে স্মরণ করছে।

বিজ্ঞাপন

নির্লোভ-নিভৃতচারী এ সাংবাদিক নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে ২০১৮ সালের ৭ জুন ৬৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

বিজ্ঞাপন

১৯৫৪ সালের ১৫ জানুয়ারি মানিকগঞ্জের গড়পাড়া গ্রামে জন্ম হয় প্রণব সাহার। জন্ম মানিকগঞ্জে হলেও মামাবাড়ি টাঙ্গাইল হওয়ায় সেখানকার সুপরিচিত করটিয়া কলেজে লেখাপড়া করেন তিনি।

বিভিন্ন ম্যাগাজিনে লেখার মধ্য দিয়ে লেখালেখিতে হাতেখড়ি তার। ১৯৮৪ সালে কর্মজীবন হিসেবে প্রণব সাহা সাংবাদিকতা জগতে প্রবেশ করেন। দৈনিক বাংলার বাণী পত্রিকায় সহ-সম্পাদক হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি।

প্রণব সাহা বাংলার বাণীতে কর্মরত অবস্থায়ই ‘ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব জার্নালিজম’ (আইওজে)-এর আমন্ত্রণে পেশাগত প্রশিক্ষণের জন্য রাশিয়া (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন) সফর করেন।

দৈনিক বাংলার বাণী পত্রিকা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত শেষদিনেও পত্রিকাটির সঙ্গে ছিলেন প্রণব সাহা।

বিজ্ঞাপন

বাংলার বাণী বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ২০০১ সালে চ্যানেল আইতে যোগ দেন তিনি। ২০০১ সালেই জন্ম নিয়েছিল বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল আইয়ের বার্তা বিভাগ। চ্যানেল আই নিউজের সেই জন্মলগ্ন থেকেই সাথে ছিলেন প্রণব সাহা।

প্রথমে ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জ হিসেবে যোগ দিলেও সময়ের সাথে সাথে নিজের যোগ্যতা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়ে চ্যানেল আইয়ের উচ্চতর পদে নিজেকে আসীন করেন। পরিচিতি পান সবার ‘দাদা’ হিসেবে।

চ্যানেল আইয়ের পক্ষ থেকেও প্রণব সাহা পেশাগত প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন।

প্রণব সাহা জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য ছিলেন। এছাড়াও ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি পেশাদার সাংবাদিক সংগঠনের সদস্য ছিলেন তিনি।

চ্যানেল আইতে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে লেখালেখি করতেন।

সর্বশেষ চ্যানেল আইয়ের জয়েন্ট এডিটর ছিলেন প্রণব সাহা। সেই পদে দায়িত্বরত অবস্থায় ২০১৮ সালের ৭ জুন ভোর ৬টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

সেদিন তার শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন তাকে।