চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দোষ স্বীকারে বাধ্য করা হয়েছে, দাবি রিয়ার

সুশান্ত মামলার সঙ্গে জড়িত মাদককাণ্ডে গত মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তার হয়েছেন রিয়া চক্রবর্তী। এদিন তার আইনজীবীরা জামিন চেয়েও পাননি। এরপর বৃহস্পতিবার আবারো অভিনেত্রীর জামিন আবেদন করা হলে তাও খারিজ করেন মুম্বাইয়ের বিশেষ আদালত।

একই সাথে তাকে ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) এমনটাই জানানো হয় রায়ে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে জামিনের আবেদনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন ‘জালেবি’ সিনেমা খ্যাত এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, তাকে দোষ স্বীকার করতে বাধ্য করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ মিথ্যা। রিয়া ছাড়াও এদিন তার ভাই সৌভিক চক্রবর্তীর জামিন আবেদনের শুনানিও হয়। এই মামলায় গত ৪ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হন সৌভিক।

বিজ্ঞাপন

রিয়া ও সৌভিকের জামিন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো জানায়, তাদের কাছ থেকে খুব অল্প পরিমাণ মাদক পাওয়া গেলেও এর মূল্য প্রায় ১.৮৫ লাখ রুপি। এছাড়া সুশান্তের বাবুর্চিও এই মামলার আরেক আসামী দিপেশ সাওয়ান্ত তার জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, সুশান্ত ও রিয়ার নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি মাদক সংগ্রহ করতেন। এছাড়া রিয়া ও সৌভিক সুশান্তের জন্য মাদকের ব্যবস্থা ও অর্থ প্রদান করতেন।

এদিকে এনসিবি কর্তৃক জিজ্ঞাসাবাদের তৃতীয় দিন রিয়া স্বীকার করেছিলেন, তিনি শুধু গাঁজা নয়, কঠোর ওষুধ সেবন করেছিলেন। যা তাকে তার ভাই সৌভিক সরবরাহ করতো।

ভারতীয় এনডিপিএস আইনের আওতায় ৮ (সি), ২০ (বি), ২৭ (এ), ২৮, এবং ২৯ নম্বর ধারায় গ্রেপ্তার করা হয় রিয়া চক্রবর্তীকে। রিয়ার বিরুদ্ধে এনসিবির তরফে যে ধারাগুলি এনডিপিএসের আইনের আওতায় আনা হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখ্য ২৭ (এ) ধারা অর্থাৎ অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, যা প্রমাণ হলে কমপক্ষে ১০ বছরের সাজা হবে রিয়ার।