চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দোলেশ্বরের বড় জয়, প্রাইম ব্যাংককে জেতালেন আরিফুল

সাইফ হাসান ও ফরহাদ হোসেনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব। আর শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে ফরহাদ রেজার দল।

শনিবার টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৭ বল বাকি থাকতে ১৭৫ রানে অলআউট হয় শাইনপুকুর। জবাবে ৪৩.৪ ওভারে মাত্র এক উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় দোলেশ্বর।

বিজ্ঞাপন

সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে ৫৭ রান তুলে আউট হন সৈকত আলি। ফেরার আগে করেন ২৩ রান। পরে আর উইকেট হারায়নি দলটি। ১১৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুড়ি গড়েন সাইফ হাসান ও ফরহাদ হোসেন।

১৩২ বলে পাঁচ চার ও দুই ছক্কায় ৮৩ রানে অপরাজিত থাকনে সাইফ। ৯১ বলে চারটি চার ও এক ছক্কায় ৬৬ রানে অপরাজিত থাকনে তার সঙ্গী ফরহাদ।

শাইনপুকুরের হয়ে দোলেশ্বরের আউট হওয়া একমাত্র উইকেটটি নেন সোহরাওয়ার্দী শুভ।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় শাইনপুকুর। স্কোরবোর্ডে ৫০ রান উঠতেই আউট হন প্রথমসারির চার ব্যাটসম্যান। দলের হয়ে কেউই হাফসেঞ্চুরির দেখা পাননি। সর্বোচ্চ ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন দেলোয়ার হোসেন। তৌহিদ হৃদয় ৩৩ ও সাব্বির হোসেন ৩১ রান করেন।

দোলেশ্বরের হয়ে ফরহাদ রেজা তিনটি ও আরাফাত সানি দুটি উইকেট নেন। এছাড়া মাহমুদুল হাসান ও এনামুল হক জুনিয়র একটি করে উইকেন পান।

বিজ্ঞাপন

খেলাঘরকে হারাল প্রাইম ব্যাংক
লো-স্কোরিং ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর ২ উইকেটের জয় পেয়েছে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আরিফুল হকের বোলিং তোপে ১৯৫ রানে অলআউট হয় খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন অমিত মজুমদার।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৫ রান আসে ভারতীয় ব্যাটসম্যান আল মেনারিয়ার ব্যাটে। অধিনায়ক নাজিমউদ্দিন করেন ২৯ রান। বাকিদের কেউ বলার মতো রান করতে পারেননি।

৭.৫ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন আরিফুল হক। ২০ রান খরচায় তিন উইকেট অলক কাপালির। আব্দুর রাজ্জাক ও আল-আমিন হোসেন নেন একটি করে উইকেট।

১৯৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৬৩ রানের ওপেনিং জুটি পায় প্রাইম ব্যাংক। এনামুল হক বিজয় ৩৭ ও রুবেল মিয়া ৪৬ রান করে আউট হন। ভালো শুরুর পর দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে দল। সেখান থেকে হাল ধরেন আরিফুল হক।

বলের পর ব্যাট হাতেও দলকে পথ দেখান আরিফুল। ৩২ রানে অপরাজিত থাকার পাশাপাশি দল জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ৩১ রান করে আরিফুলের সঙ্গে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন নাহিদুল ইসলাম।

খেলাঘরের হয়ে ইফরান হোসেন তিনটি ও রবিউল হক দুটি উইকেট নেন।