চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দেশে ২০২০ সালে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে

দেশে ২০২০ সালে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে। বিভিন্ন সংস্থা বলছে, ২০২০ এ গত কয়েক বছরের চেয়ে অনেক বেশি ধর্ষণের অপরাধ হয়েছে; প্রতিদিন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৪ জনের বেশি। ধর্ষণ বন্ধে গত অক্টোবরে বাংলাদেশে আইন সংশোধন করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করা হয়। তবে আইনের পাশাপাশি সামাজিক উদ্যোগ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণ, সিলেটের এমসি কলেজে ধর্ষণ, নোয়াখালীতে গৃহবধূকে ধর্ষণ- বছরজুড়ে এমন বহু সংবাদের শিরোনাম হয় গণমাধ্যমে। বেসরকারি সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য মতে, ২০২০ সালে বাংলাদেশে ১ হাজার ৬শ’ ২৭জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন বলছে, করোনা পরিস্থিতিতে এক বছরে ৬শ’ ২৬ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ দক্ষিণ এশিয়ার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে বাংলাদেশে ধর্ষণের হার প্রায় দশ। ভারতে এই হার দুইয়ের কম। আর নেপালে একেরও কম। মনস্তত্ত্ববিদরা বলছেন, শুধু শাস্তি দিয়ে অপরাধ বন্ধ করা সম্ভব নয়।

গবেষণায় দেখা গেছে ৮০ শতাংশ পুরুষ ধর্ষণের পর সেটাকে স্বাভাবিক আচরণ মনে করে। তাছাড়া অনেক নারী ধর্ষণের পর মান সম্মানের কথা বিবেচনা করে চুপ থাকেন। এক্ষেত্রে নারী পুরুষ উভয়কে এগিয়ে আসতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরে যৌন শিক্ষার ওপর পাঠদান করতে হবে। পাশাপাশি মানুষের বিভিন্ন চাহিদা পূরণের জন্য সমাজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

বিজ্ঞাপন

আইনের পাশাপাশি অন্যান্য ব্যবস্থার মাধ্যমে ধর্ষণ বন্ধে সরকারকে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার তাগিদ দিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

এর মধ্যে ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার শিকার হয়েছেন ৫৩ জন এবং ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছেন ১৪ জন। ২০১৯ সালে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন ১ হাজার ৪শ’ ১৩জন নারী এবং ২০১৮ সালে এই সংখ্যা ছিল ৭শ’ ৩২জন।

বিস্তারিত দেখুন সুমন সারোয়ারের ভিডিও রিপোর্টে: