চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দেশে মোট ভ্যাকসিন নিলেন প্রায় ২৫ লাখ মানুষ

দেশে করোনা ভ্যাকসিন কর্মসূচি শুরুর পর থেকে আজ পর্যন্ত মোট ২৪ লাখ ৯১ হাজার ৫৩ জন ভ্যাকসিন নিয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ১৬ লাখ ৩৪ হাজার ৩৩ জন ও নারী আট লাখ ৫৭ হাজার ২০ জন ভ্যাকসিন নেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সী অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের (এমআইএস) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ ১৫তম দিনে সারাদেশে ১৮ লাখ ২৮ হাজার ৯৬ জন ভ্যাকসিন নেন।এরমধ্যে পুরুষ ১১ লাখ পাঁচ হাজার ৩১৮ ও নারী ছয় লাখ ৭৫ হাজার ৭৮ জন।

ঢাকা মহানগরীতে ভ্যাকসিন নিয়েছেন ২৯ হাজার সাত জন। এরমধ্যে পুরুষ ১৮ হাজার ৬৭০ জন ও নারী ১০ হাজার ৩৩৭ জন ভ্যাকসিন নেন।

ঢাকা বিভাগে ভ্যাকসিন নিয়েছেন ৬২ হাজার ২৩৯ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৪০ হাজার ৫৪২ জন ও নারী ২১ হাজার ৬৯৭ জন ভ্যাকসিন নেন। এছাড়াও ময়মনসিংহ বিভাগে আট হাজার ১৮৮ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ চার হাজার ৯৪৪ ও নারী তিন হাজার ২৪৪ জন।

চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৭ হাজার ৭০৮ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ২৩ হাজার ৬৩৮ জন ও নারী ১৪ হাজার ৭০ জন ভ্যাকসিন নেন।

রাজশাহী বিভাগে ১৮ হাজার ৬৫১ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ১১ হাজার ৪৫৪ জন ও নারী সাত হাজার ১৯৭ জন।

বিজ্ঞাপন

রংপুর বিভাগে ১৫ হাজার ৭৬৫ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ নয় হাজার ৭৬১ জন ও নারী ছয় হাজার চার জন। খুলনা বিভাগে ২২ হাজার ৮১৬ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ ১৩ হাজার ৯৪০ ও নারী আট হাজার ৮৭৬ জন।

বরিশাল বিভাগে আট হাজার ৪৪৩ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ পাঁচ হাজার ৪২৪ জন ও নারী তিন হাজার ১৯ জন এবং সিলেট বিভাগে নয় হাজার ৮৬ জন ভ্যাকসিন নেন; যার মধ্যে পুরুষ পাঁচ হাজার ৬১৫ জন ও নারী তিন হাজার ৪৭১।

রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালসহ সারা দেশের এক হাজার পাঁচটি হাসপাতালে কোভিড-১৯ টিকা দেয়া হচ্ছে। টিকাদানের প্রথম দিন মোট ৩১ হাজার ১৬০ জনকে টিকা দেয়া হয় বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছিল।

বর্তমানে বাংলাদেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ৭০ লাখ ডোজ রয়েছে এবং করোনার টিকা নিতে চাইলে www.surokkha.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে।

গত ২৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সে সময় দুই দিনে মোট ৫৬৭ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে এই ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলক প্রয়োগ না হওয়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকল অনুযায়ী তাদের এক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করা হয়।

কারও মধ্যে গুরুতর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা না দেওয়ায় পরিকল্পনা মত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে গণ ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হয়।