চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দেশে ফিরলেন যুক্তরাষ্ট্রে আটকে পড়া ২৪৩ বাংলাদেশি

যুক্তরাষ্ট্রে আটকে পড়া ২৪৩ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। রোববার ওয়াশিংটন থেকে একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে বাংলাদেশে এসে পৌঁছান তারা।

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ডিরেক্টর গ্রুপ ক্যাপ্টেন তৌহিদ-উল আহসান গণমাধ্যমকে জানান: কাতার এয়ারওয়েজের চার্টার্ড বিমানটি ওয়াশিংটন ডিসি থেকে দোহা হয়ে আজ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিজ্ঞাপন

ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রত্যাবর্তনকারীদের মধ্যে বেশিরভাগ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটন ও ব্যবসায় ভিসায় আমেরিকা গিয়েছিলেন এমন নাগরিক এবং কিছু সরকারি-বেসরকারী কর্মকর্তাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

যাত্রীদের মধ্যে ৪৯ জন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীও রয়েছেন যারা শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক প্রোগ্রামের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন।

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন যাত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং যাত্রা করার আগে তিনি তাদের নিরাপদ ভ্রমণ কামনা করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কাতার এয়ারলাইন্সের বিশেষ চার্টার্ড-এ ৩৫০-৯০০ এয়ারবাসটি শুক্রবার রাত ১১টা ৪ মিনিটে ডুলস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ টানা ষষ্ঠবারের মত ফ্লাইট পরিচালনার চলমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ৩০ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে। ইউরোপীয় সব দেশ, করোনাভাইরাসের কারণে যেসব দেশ বাংলাদেশিদের তাদের দেশে প্রবেশে নিষেধজ্ঞা জারি করেছে সেসব দেশে এবং পাশাপাশি সমস্ত অভ্যন্তরীণ রুটেও বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।

সরকার এ পর্যন্ত ভারত, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন অন্যান্য দেশ থেকে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের প্রত্যাবাসন করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, ভুটান, মায়ানমার এবং বিভিন্ন ইউরোপীয় দেশ এখান থেকে তাদের নাগরিকদের প্রত্যাবাসনের জন্য বিমানের স্থগিতাদেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।