চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দেশে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেল ফাইজারের ভ্যাকসিন

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশে জরুরি ব্যবহারের জন্য ফাইজারের টিকা অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

এ নিয়ে দেশে জরুরি ব্যবহারের জন্য চারটি করোনা টিকা অনুমোদন দেওয়া হলো।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাে. মাহবুবুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফাইজারের এই টিকা অনুমোদন দেয়ার জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরে গত ২৪ মে আবেদন করে জনস্বাস্থ্য-২ অধিশাখা। ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর ভ্যাকসিনটির ডােসিয়ার (ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পার্ট, সিএমসি পার্ট এবং রেগুলেটরি স্ট্যাটাস) মূল্যায়ণপূর্বক কোভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য পাবলিক হেলথ ইমারজেন্সির ক্ষেত্রে ওষুধ, ইনভেস্টিগেশনাল ড্রাগ, ভ্যাকসিন এবং মেডিকেল ডিভাইস মূল্যায়নের নিমিত্তে গঠিত কমিটির মতামতের জন্য ২৫ মে উপস্থাপন করে। উক্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর আজ বৃহস্পতিবার এই টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এতে বলা হয়, বাংলাদেশে টিকাটির লােকাল লিগ্যাল অর্গানাইজেশন হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ভ্যাকসিনটি ইউএসএফডিএ কর্তৃক গত বছরের ১১ ডিসেম্বর, ইউকেএমএইচআরএ কর্তৃক গত বছরের ২ ডিসেম্বর এবং ইএমএ কর্তৃক গত বছরের ২১ ডিসেম্বর জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদনপ্রাপ্ত হয়। এছাড়াও টিকাটি গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি ব্যবহার তালিকায় স্থান পেয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ফাইজারের টিকাটি ১২ বছর এবং তার বেশি বয়সী ব্যক্তির জন্য ব্যবহারযােগ্য। দেশে এটি সরকারের ডিপ্লয়মেন্ট প্ল্যান অনুযায়ী নির্ধারিত বয়সের ব্যক্তিদের মধ্যে প্রদান করা হবে। টিকাটি দুই ডােজের। প্রথম ডােজের ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডােজ দেওয়া হবে। এর সংরক্ষণ তাপমাত্রা মাইনাস ৯০ ডিগ্রি থেকে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি। তবে টিকাটি ৫ দিন ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এবং ২ ঘণ্টা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় স্ট্যাবল থাকবে।

ফাইজারের এই টিকাটি ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর কর্তৃক জরুরি ব্যবহারে অনুমোদনপ্রাপ্ত চতুর্থ টিকা। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়।

এছাড়া গত ২৭ এপ্রিল রাশিয়ার স্পুতনিক ভি টিকা এবং গত ২৯ এপ্রিল চীনের সিনোফার্ম টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর।