চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গবেষণা

বৈশ্বিক করোনাভাইরাস সংকট নিয়ন্ত্রণে ভিন্ন ভিন্ন দেশ ভিন্ন ভিন্ন রকমের পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে কিভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সেই বিষয়ে গবেষণা করেছে ব্র্যাক ইন্সটিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট।

সেপ্টেম্বরে ব্র্যাক ইন্সটিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ‘গভর্নিং কোভিড-১৯ ইন বাংলাদেশ: রিয়ালিটিস অ্যান্ড রিফ্লেকশনস টু বিল্ড ফরোয়ার্ড বেটার’ শিরোনামের ওই গবেষণাপত্রে দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

গবেষকরা তাদের গবেষণায় তুলে এনেছেন, বাংলাদেশে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে কিভাবে বিভিন্ন নীতিমালা তৈরি ও সরবরাহ করা হয়েছে, সেই সঙ্গে সেখানে উঠে এসেছে কিভাবে চলমান এই মহামারি থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের সংকট সমাধান করা যায়।

বিজ্ঞাপন

গবেষণায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া, লকডাউন ম্যানেজমেন্ট এবং ত্রাণ কার্যক্রম, কমিউনিটি পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক প্রণোদনা কার্যক্রম এবং তৈরি পোশাক ক্ষেত্রের পরিস্থিতি এসবও বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

এই বিস্তৃত গবেষণার একটি সমালোচনামূলক শিক্ষা হলো, বাংলাদেশের এমন একটি সংস্থার প্রয়োজন যেটা সঙ্কটের মুখোমুখি হয়ে আরও শক্তিশালী হবে। বৈশ্বিক সংকটের মতো বাংলাদেশও বারবার জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সংকটে মুখোমুখি হয়। তাই দেশের জনগণকে রক্ষার জন্য আরও ভালো নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা দরকার বলেই উল্লেখ করা হয় গবেষণায়।

গবেষকরা বলেছেন, অদূর ভবিষ্যত ও দূরবর্তী ভবিষ্যতে বাংলাদেশে কার্যকর মহামারি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। ভারতে বিপর্যয়মূলক অব্যবস্থাপনা এবং এর পরিণতি মহামারী ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন দেশের সরকারের মনোযোগ ফিরিয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গবেষণা শেষে বেশ কিছু সুপারিশও দিয়েছেন গবেষকরা। তারা বলছেন, সরকারের উচিত দেশকে নিজের শক্তিতে গড়ে তোলা, দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতে বাংলাদেশের শক্তিমত্তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করা, রাষ্ট্র-সমাজ অংশীদারিত্ব এবং নাগরিক অংশগ্রহণের ঐতিহ্যকে লালন করা। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং সেটা নিয়ন্ত্রণে বিনিয়োগের মাধ্যমে ফাঁকগুলো দূর করতে দ্রুত কাজ করা প্রয়োজন, জিডিপি হারের বৃদ্ধির পরিবর্তে জনগণের সুরক্ষার জন্য অর্থনৈতিক নীতির পুনর্বিন্যাস করা, উন্মুক্ত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতিনির্ধারক প্রক্রিয়া বিকাশের জন্য সরকারকে একবিংশ শতাব্দীর রাষ্ট্রযাত্রার অনুশীলন করতে হবে।

বিজ্ঞাপন