চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ
Partex Cable

দেশের সর্ববৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন কক্সবাজারে

সৈকতে বসেছিল নানা ধর্ম বর্ণ মানুষের মিলনমেলা

Nagod
Bkash July

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্য নানা আয়োজন উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতিমা বিসর্জন।

Reneta June

এর মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটে দুর্গোৎসবের। এ উপলক্ষে সৈকতে নেমেছিল লাখো মানুষের ঢল। সমুদ্র সৈকত হয়ে উঠছিল নানা ধর্ম বর্ণ মানুষের মিলন মেলায়। ছিলেন বিদেশি পর্যটক ও। নেয়া হয়েছিলো বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা শেষে মঙ্গলবার ছিল প্রতিমা বিসর্জন। এই বিসর্জন দেখতে কক্সবাজার সৈকতে নেমেছিল দেশি-বিদেশি পর্যটকসহ লাখো মানুষের ঢল।

মঙ্গলবার সকাল থেকে কক্সবাজার জেলার পূজা মণ্ডপগুলোতে বিরহের সুর বেজে উঠে। দুপুরের পর থেকে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রতিমা বহনকারী ট্রাকগুলো কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দিকে আসতে থাকে। বিকেল তিনটার পর থেকে সৈকতের লাবনী পয়েন্ট লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।
যশোরের ব্যানার্জি পাড়া থেকে আসা পর্যটক রাহিদ ও শর্মিলা বলেন, এখানে বিসর্জন দেখার জন্য এসেছি, সত্যিই খুব ভালো লাগছে।

মৌলভীবাজার থেকে আসা পর্যটক নাসির, রফিক বলেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নানা ধর্ম বর্ণ মানুষের মিলন মেলা দেখে খুব ভালো লাগছে। এই দৃশ্যটি দেখার জন্যই আমরা কক্সবাজার ছুটে এসেছি তিন বন্ধু।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবুল শর্মা বলেন, বিশ্বের সব চেয়ে বড় বিসর্জন কক্সবাজার সৈকতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

সৈকতের লাবনী পয়েন্টের উন্মুক্ত মঞ্চে চলে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান। এখানে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল, সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, নারী সংসদ সদস্য কানিজ ফাতেমা মোস্তাক, জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন, টুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার জিল্লুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান।

কক্সবাজার জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট রণজিৎ দাশের সভাপতিত্বে বিসর্জন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা, কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল, কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র হেলাল উদ্দিন কবির, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবুল শর্মা প্রমুখ।

বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বিসর্জন মঞ্চ থেকে মন্ত্র উচ্চারণ শেষে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে শুরু হয় বিসর্জন।
এরপর একে একে কক্সবাজার জেলার ২৯৬টি পূজা মণ্ডপের প্রতিমা নিরঞ্জন দেয়া হয় বঙ্গোপসাগরে।

এই নিরঞ্জন অব্যাহত ছিল সন্ধ্যে সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেন, বিসর্জন উপলক্ষে সমুদ্র সৈকত ও আশপাশের এলাকায় নেয়া হয়েছিলো বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

BSH
Bellow Post-Green View