চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দেশের রিজার্ভ এখন ৩৮ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার

একের পরে এক রেকর্ড গড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ন (রিজার্ভ)। মঙ্গলবার দেশের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৮ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলারে। যা দিয়ে প্রায় ৯ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নগদ প্রণোদনা দেয়ায় বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসছে। তাছাড়া করোনায় আমদানি ব্যয়ের চাপ আগের চেয়ে অনেক কম, দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও জাইকার বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও বিশ্ব সংস্থার অনুদানের কারণে রিজার্ভের পরিমাণ বাড়ছে।

বিজ্ঞাপন

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৮ দশমিক ১৫ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৮১৫ কোটি ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিমাসে ৪ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হিসেবে মজুত এই বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে প্রায় সাড়ে ৯ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, গত জুলাই মাসে ২৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। একক মাস হিসাবে যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ। এর আগে সর্বোচ্চ রেকর্ড রেমিট্যান্স এসেছিল চলতি বছরের জুনে। ওই মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

সরকার গত অর্থবছরে রেমিট্যান্সের ওপর ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা ঘোষণা করেছিল। এরপর থেকেই বৈধ চ্যানেলে বা ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে থাকে। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটেও রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রবাসীরা মোট ১ হাজার ৮২০ কোটি ৪৯ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। দেশীয় মুদ্রায় যা ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪২ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)। এর আগে কোনো অর্থবছরে এত পরিমাণ অর্থ দেশে আসেনি।

এর আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রেমিট্যান্স আহরণে রেকর্ড হয়। ওই সময়ে ১ হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। সেই হিসাবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার বা ১৫ হাজার কোটি টাকা।