চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: পলক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন দেশ ও মানুষের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কর্মদক্ষতা ও দূরদর্শীর কারণেই বিশ্বের করোনা মহামারীর সংকটে মাত্র পাঁচটি উচ্চ প্রবৃদ্ধির দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর সিংড়া কোর্ট মাঠে স্থাপিত মুক্ত মঞ্চে আয়োজিত উপজেলার আড়াই হাজার বন্যার্ত মানুষের মাঝে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, সারা বিশ্বের নন্দিত সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সর্বশেষ এসডিজি এওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। দেশের এ উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার ধারাবাহিক পথপরিক্রমায় দেশ ২০৪১ সালে পৌঁছে যাবে বিশ্বের উন্নত দেশের কাতারে।

বিজ্ঞাপন

ক্রমবর্ধমান জলামগ্নতার পরিমাণ ও আকস্মিক পানির স্রোতের ফলে গুরুদাসপুর, সিংড়া, নলডাঙ্গা ও বড়াইগ্রাম উপজেলাসহ নড়াইলের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ৭০ হাজার মানুষ ইতোমধ্যে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আকস্মিক এ বন্যায় নতুন চর এলাকা, ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়ে হাজার হাজার মানুষের জীবন ও জীবিকা বিপন্ন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বন্যা কবলিত এ অসহায় মানুষের মাঝে সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছে হুয়াওয়ে। এই ত্রাণ বিতরণ উদ্যোগে ভাত, লাল মসুরিডাল, আলু, লবণ, চিনি, খাবার স্যালাইন ইত্যাদিসহ খাদ্য প্যাকেট পাবে এ অঞ্চলের প্রায় দুই হাজার পরিবার।

এ উপলক্ষে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “ইতোমধ্যে, করোনা মহামারিতে ব্যক্তি পর্যায়ের মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, সকলেই সংকটাপন্ন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তার ওপরে সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে আরও কষ্টের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। এমন বাস্তবতাকে উপলব্ধি করে, দায়িত্বশীল একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে হুয়াওয়ে বাংলাদেশ এ মহামারি চ্যালেঞ্জের মধ্যেও অসহায় মানুষদের সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আগে কখনও এ অঞ্চলে ত্রাণ সামগ্রী আসতো না। নাটোরের সন্তান হিসেবে আমি আমার মানুষের কষ্ট অনুভব করতে পারি। তাই সরকারের পক্ষ থেকেও আমরা আমাদের চেষ্টা চলমান রেখেছি। আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হুয়াওয়ে যে মানুষের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে সেজন্য একজন এমপি হিসেবে নয় বরং এ অঞ্চলের মানুষ হিসেবে আমি হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ জানাই। শুধু এটিই নয়, বেশ কিছু দিন থেকেই আমি হুয়াওয়েকে দেখছি এবং তাদের চমৎকার কিছু সিএসআর উদ্যোগও লক্ষ্য করেছি। একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হয়ে কিভাবে দেশের জন্য বিভিন্নভাবে কাজ করা যায় তার উৎকৃষ্ট উদাহারণ হুয়াওয়ে বাংলাদেশ”।

হুয়াওয়ে বাংলাদেশ’র এন্টারপ্রাইজ বিজনেস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট জর্জ লিন বলেন, “আমরা বিশ্বের সেরা ও অত্যাধুনিক উদ্ভাবনী আইসিটি সমাধান, সরঞ্জাম, সেবা সরবরাহ করি। এটিই আমাদের বিশেষত্ব। বাংলাদেশেও এই উন্নততর সেবা দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। একইসাথে, মানুষ পাশে দাঁড়ানোকে আমরা দায়িত্ব মনে করি। আমাদের এই ছোট ছোট চেষ্টা হয়তো তাদের কষ্ট পুরোপুরি দূর করতে সক্ষম না কিন্তু এগুলোর মাধ্যমে তারা এইটুকু আশ্বাস পান যে তারা একা নন। তাদের দুঃখ ভাগ করে নিতে আমরা রয়েছি, কারণ আমরা তাদের প্রতি যত্নশীল” ।