চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দুশ্চিন্তার নাম সাকিবের ‘না থাকা’

তিনি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তাকে পাওয়া দলে দুজন খেলোয়াড়ের ভূমিকা পাওয়ার সমান! কদিন আগেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের প্রধানসেনানী। সেই সাকিব আল হাসান কিনা থাকছেন না সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে কঠিন হতে যাওয়া টেস্ট সিরিজে! সাদা পোশাকের ক্রিকেট থেকে ছয় মাসের বিরতি চেয়ে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের আবেদনে সাড়া দিয়ে তাই দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছেন বাংলাদেশের নির্বাচকরা। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা করতে গিয়ে নিজের চিন্তার কথা লুকোননি টাইগারদের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নুও।

সাকিবের নাম সবার আগে রেখেই দল নির্বাচনের রীতিটা সোমবার বদলে গেল তার স্বেচ্ছায় বিরতি নেয়ার ইচ্ছার কারণে। দলের সেরা তারকাকে ছাড়া স্কোয়াড ঘোষণা করাটা যে কতটা কঠিন এক কাজ সেটি বেরিয়ে এল প্রধান নির্বাচকের কথা থেকেই।

বিজ্ঞাপন

‘সাকিবকে ছাড়া আমরা এখন দল চিন্তা করতেই পারি না। দল নির্বাচনের সময় ওর নামটাই সবার আগে লিখতে হয়। সে ছুটি চেয়েছে, মঞ্জুর হয়েছে। বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার দলে থাকছে না। চিন্তার বিষয় তো অবশ্যই। চোট থাকলে তো ওকে ছাড়াই আমাদের খেলতে হত।’ নান্নুর কথায় সাক্ষাৎ দুচিন্তার ছাপ।

বিজ্ঞাপন

বিশ্রাম নিতে চাইলে পুরো সফরে না নিয়ে কেবল মাত্র টেস্ট সিরিজ কেন? বিশ্রামের এই পথ নিয়ে চলছে বিস্ময়ভরা আলোচনা। ক্রিকেট ভক্তদের থেকে শুরু করে সংবাদমাধ্যমগুলোয় ডানা মেলছে বিশ্লেষণের ডালপালা।

দলের সেরা ক্রিকেটারকে এসব আলোচনা থেকে সযত্নে আড়াল করেই রাখলেন মিনহাজুল। অনুরোধ জানালেন সাকিবের সিদ্ধান্তকে যেন সম্মান জানানো হয়, ‘ও সারাবিশ্ব জুড়েই খেলেছে। খুব একটা লম্বা বিরতি পাওয়া হয়নি ওর। সে কারণেই ছুটি চেয়েছে। শারীরিক ব্যাপারটিও ভাবতে হবে। পাশাপাশি মানসিক ব্যাপারটাও। আমিও খেলোয়াড় ছিলাম। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শতভাগ ফিট না থাকলে পারফরম্যান্স ভালো হয় না। সে হিসেবে মনে করি, সাকিব ভেবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওর সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো উচিত।’

সেইসঙ্গে সাকিব দ্রুতই ফিরবেন বলে বিশ্বাস প্রধান নির্বাচকের, ‘হয়ত দুই টেস্ট কিংবা প্রথম টেস্টের পরই সে ফিরবে। আশা করছি সে দ্রুতই ফিরবে।’

ছবি: সাকিব উল ইসলাম

Bellow Post-Green View