চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দুদকের গোয়েন্দা নজরদারি বেড়েছে, প্রস্তুত আর্ম ইউনিট

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সরকারি দপ্তর, অধিদপ্তরে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ওপর নজরদারি করতে কাজ করছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গোয়েন্দারা। জরুরী অবস্থা মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে দুদকের নিজস্ব আর্ম ইউনিটও।

সম্প্রতি চ্যানেল আই অনলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে এ তথ্য জানিয়েছেন দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

তিনি বলেন: আমরা গোয়েন্দা বিভাগ গঠন করেছি। তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন।দুর্নীতি যাতে না ঘটে, সে জন্য আমাদের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা যে সকল জায়গায় মানুষের আক্ষেপ, ঘুষ দুর্নীতি হয় হয় বলে পাবলিক পারসেপশন আছে এমন এমন দপ্তর, মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তরে আমাদের গোয়েন্দারা কাজ করছে।

দুর্নীতিবাজদের কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন: গোয়েন্দা হিসেবে তারা ছদ্মবেশে যায়, দুদকের মনোগ্রাম নিয়ে নয়। এ জন্য সবার উদ্দেশ্যেই বলি যে, কখন কোন দুর্নীতিবাজের বিরুদ্ধে কাজ করছে গোয়েন্দারা আপনি টের পাবেন না। তাই সবাইকে বলি, দুর্নীতির মাত্রা যাতে কমে সে জন্য সবাই এক হয়ে দুর্নীতিকে না বলি।কারণ গোয়েন্দারা কখন কী রিপোর্ট দেবে সেটা কিন্তু আপনারা জানেন না। অদৃশ্য হাত কিন্তু আপনার ওপর কাজ করছে।

বিজ্ঞাপন

গোয়েন্দাদের কর্মকৌশল ও উপকরণ সম্পর্কে বিস্তারিত না বললেও ফোন ট্রাকিং, ওয়াকিটকি, ভিডিও করার বিভিন্ন ডিভাইস থাকে তার সব কিছু নিয়েই তারা কাজ করবেন বলে জানান দুদক চেয়ারম্যান।

গোয়েন্দা ইউনিটে লোকবল অপ্রতুল থাকলেও প্রয়োজনে আরও নিয়োগ দেওয়া হবে জানিয়ে ইকবাল মাহমুদ বলেন: প্রাথমিকভাবে আমাদের ছয়জন কর্মকর্তা কাজ করছেন। আমরা জানি সংখ্যাটা অপ্রতুল। কিন্তু আমাদের সাংগঠনিক কাঠামো পাশ হয়েছে। এখানের কাজ কর্ম বুঝে হয়তো আরও লোক নিয়োগ দেওয়া হবে।

দুদক আর্মস ফোর্স
বড় বড় দুর্নীতিবাজদের তাৎক্ষণিকভাবে ধরতে এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য ২০ জনের একটি আর্মস ইউনিট গঠন করেছে দুদক। যার নেতৃত্বে থাকছেন একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

আর্মস ইউনিট প্রসঙ্গে দুদক চেয়ারম্যান বলেন: রাত বিরাতে বিভিন্ন জরুরি প্রয়োজনে আমাদের আর্মস ফোর্সের দরকার হয়। কিন্তু সব সময় সেটা থানা থেকে চাওয়া যায় না। কারণ তারা অলরেডি স্ট্রেসড। তারা রাত দিন ২৪ ঘণ্টা কাজ করেন। তারপরে ডাক দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সঙ্গে আসতে পারাটা অত সহজ ব্যাপার নয়। তাই আমরা মনে করি, আমাদের যদি নিজস্ব ফোর্স থাকে তবে অন্তত ঢাকায় বড় বড় দুর্নীতিবাজদের ধরতে সুবিধা হবে।

‘আমরা বিশ জনের একটি দল চেয়েছিলাম। আমরা খুবই খুশী যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমরা এ সহযোগিতাটা পেয়েছি।’

বিজ্ঞাপন