চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দুদকের কেউ দুর্নীতির সাথে যুক্ত, এমন জনশ্রুতি যেন না হয়: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন: অপরাধী, অপরাধীই; ছোট অপরাধীদের ধরা যাবে আর বড় অপরাধীদের ধরা যাবে না, তা হবে না।

তিনি বলেন: দুদকের কেউ কেউ নিজেরাই দুর্নীতির সাথে যুক্ত এমন জনশ্রুতি যেন না হয়, সেজন্য দুদককে সচেতন হতে হবে।

বিজ্ঞাপন

একাদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই ছিলো প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব। এসময় বেগম রওশনারা মান্নানের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নে জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন: দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। তাই দুর্নীতিকে শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। বর্তমান সরকার টানা তৃতীয়বার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের জনগণের কল্যাণে এবং দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

বিজ্ঞাপন

‘এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) শক্তিশালী করা, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দুর্নীতি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার বিশেষ পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। এর মাধ্যমে সরকার দুর্নীতির বিষবৃক্ষ সম্পূর্ণ উপড়ে ফেলে দেশের প্রকৃত আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে একটি সুশাসনভিত্তিক প্রশাসনিক কাঠামো ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন করতে আমরা বদ্ধপরিকর’, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় তিনি আরও যোগ করেন: ঘুষ নেওয়া যেমন অপরাধ, তেমনই দেয়াও অপরাধ। তাই ঘুষ যে নেবে তার যেমন শাস্তি হবে, তেমনই যে দিবে তারও শাস্তি হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন: দুর্নীতি দমন কমিশন আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন ও স্বশাসিত সংস্থা। কমিশন নিরপেক্ষভাবে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্ত করে। বর্তমানে দুদক এনফোর্সমেন্ট টিমের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-দফতরে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করছে।

‘এছাড়া কমিশন দুর্নীতি প্রতিরোধে কর্মকৌশল প্রণয়ন করেছে। এ কর্মকৌশলের আওতায় দুর্নীতি প্রতিরোধে জনসচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে গণশুনানি আয়োজন করা হচ্ছে। এসব ইতিবাচক কার্যক্রমের ফলে সাধারণ জনগণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছে। স্কুল-কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুর্নীতিবিরোধী মনোভাব সৃষ্টি হচ্ছে।’

আরেক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন: বর্তমানে দেশে ১৯ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ রাখা যায়, এখন যেন ২৮ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ রাখা যায় সেই ব্যবস্থা করছে সরকার।