চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দুই স্বল্পদৈর্ঘ্যের শতাব্দী

নিজেকে ভেঙ্গেচুরে গড়ছেন বারবার। প্রবল বাণিজ্যিক সময়েও ছাঁচের বাইরে হাটছেন শতাব্দী ওয়াদুদ। ‘ঢাকা অ্যাটাক’ এর দুঁদে সেই পুলিশ কর্মকর্তা, ‘জীবনঢুলি’র ঢোলক, ‘গেরিলা’র নিষ্ঠুর মেজর সরফরাজ বা ‘বাপজানের বায়োস্কোপ’ এর বায়োস্কোপওয়ালা এবার মজেছেন স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে।

শেষ করেছেন দুই তরুণের প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে। এখানেও চরিত্র নিয়ে নিবিড় নিরীক্ষা। একটিতে ডাকাত থেকে মুক্তিযোদ্ধায় রূপান্তর। আর অন্যটিতে মানবতার বিনাশকারী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর প্রাতিষ্ঠানিক কাজ ‘বীর বিচ্ছু’তে ডাকাত থেকে মুক্তিযোদ্ধায় রূপান্তর হওয়া চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত ই রাব্বীর  ছবিটির দৈর্ঘ্য ৩৫ মিনিট। মুক্তিযুদ্ধের সর্বকনিষ্ঠ যোদ্ধা যাকে কোলে নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র জমা অনুষ্ঠানে সেই শহীদুল হক লালুর বীরত্ব কাহিনীকে অনুপ্রাণিত হয়ে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সিঙ্গাপুরে ব্যক্তিগত সফরে অবস্থানরত শতাব্দী ওয়াদুদ চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে এই প্রথম কাজ করছি। চরিত্রটিতে কাজ করার ভীষণ সুযোগ ছিল। চেষ্টা করেছি। বাকীটা মূল্যায়ন দর্শকের ওপর। পরিচালক সিফাত ই রাব্বী চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, চরিত্রটি কাল্পনিক তবে যমুনা নদীর ডাকাতদের গল্প বাবার মুখে শুনেছি। কিছু গল্প শুনেছি যেখানে চোর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। কল্পনার আশ্রয় নিয়েছি চরিত্রটি নির্মাণের সময়। আর সত্যিকারের গোলাবারুদের ব্যবহার করতে পেরেছি। যাতে চলচ্চিত্রটি আরো জীবন্ত হয়েছে। 

এটুআই এর অর্থায়ন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সহযোগিতায় নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। আগামী জানুয়ারীতে চলচ্চিত্রটি দর্শকের জন্য উন্মুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা।

অন্যদিকে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেল এর প্রধান সহকারী রানা মাসুদ প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মান করেছেন ‘নিবাস’ নামে। ১৫ মিনিটের চলচ্চিত্রটির চরিত্র মাত্র দুজন। একজন শতাব্দী ওয়াদুদ এবং অন্যজন অং থি চিং মারমা। এতে মানবিকতার জন্য ক্ষতিকর চরিত্রে নিজেকে রুপায়ণ করেছেন। নির্মাতা রানা মাসুদ বলেন, মানবিকতা বিনাশীর চরিত্রে তার অভিনয়ের শক্তি দর্শক অনুভব করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। চরিত্রের প্রতি তীব্র ঘৃণা আসতে বাধ্য তার অভিনয়ের অনন্যতায়।

বিজ্ঞাপন