চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দুই সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলায় ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের নিন্দা

ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম নিয়ে করা এক সংবাদের জেরে দুইজন সম্পাদকসহ চারজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে নিন্দা জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম (এলআরএফ)।

গত শুক্রবার রাতে করা মামলায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর ও জাগো নিউজ ডটকমের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মহিউদ্দিন সরকার এবং তাদের সাথে শাওন আমিন ও রহিম শুভ নামে আরও দুইজনকে আসামি করা হয়।

বিজ্ঞাপন

সোমবার এলআরএফ সভাপতি ওয়াকিল আহমেদ হিরন ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান রাজু এক বিবৃতিতে ওই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে নিন্দা জানান।

তাতে বলা হয়েছে, ‘সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ ঘটনা প্রকাশ করা গণমাধ্যমের দায়িত্ব। করোনা পরিস্থিতির এই সংকটকালীন সময়েও অনলাইন, প্রিন্ট ও টেলিভিশনের সংবাদকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

ভুয়া ও গুজব ছড়ানো তথ্যের ভিড়ে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য নিশ্চিত করছে। যা সুফল সুফল পাচ্ছে জনগণ।’

বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘‘দেশব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হচ্ছে, তাও লোপাটের খবর আসছে প্রতিদিনই।

এ ধরণের একটি সংবাদের জেরে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙি থানায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে মামলা করেছেন।

কোনো সংবাদে তথ্যগত অসঙ্গতি থাকলে তার প্রতিবাদ করার নিয়মতান্ত্রিক পন্থা রয়েছে। তা না করে নিপীড়নমূলক কালো আইনের আশ্রয়ে মামলা করা সংবাদমাধ্যম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বড় ধরনের হুমকি।’’

এলআরএফ নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা দুই সম্পাদকসহ চার জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। সেই সঙ্গে মামলার বাদী মোমিনুল ইসলাম ভাসানীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবি করেন।

গত ১৭ এপ্রিল রাতে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গি থানায় বালিয়াডাঙ্গি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোমিনুল ইসলাম ভাসানী মামলাটি (মামলা নম্বর ১২) করেন।