চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শেষ মুহূর্তে নানা প্রতিশ্রুতিসহ ভোটারদের কাছে দিনাজপুরের প্রার্থীরা

নির্বাচনী প্রচার প্রচারণার শেষ মুহূর্তে জমে উঠছে দিনাজপুর-৫ (ফুলবাড়ী-পার্বতীপুর) আসনের নির্বাচনী প্রস্তুতি। ভোটের আশায় প্রার্থীরা দিন-রাত ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। ভোট প্রাপ্তির আশায় প্রতিদ্বন্দ্বীর ভোট ব্যাংকেও হানা দিচ্ছেন। ভোটারদের দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।

প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি, মধ্যপাড়া পাথরখনি ও দেশের একমাত্র কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে এই অঞ্চলে। এছাড়াও রয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় রেলওয়ে জংশন পার্বতীপুর রেল জংশন। বাংলাদেশের ১০ নম্বর ও দিনাজপুর-৫ আসন গঠিত ফুলবাড়ী ও পার্বতীপুর উপজেলা নিয়ে।

দিনাজপুর ৫ আসন থেকে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন, ক্ষমতাশীন দলের হেভিওয়েট প্রার্থী ৬ বারের নির্বাচিত এমপি প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এ্যাভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার ও ঐক্য ফ্রন্ট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক এমপি এজেডএম রেজওয়ানুল হকসহ ৬ জন প্রার্থী।

Advertisement

এ আসনটি মহাজোটের উম্মুক্ত থাকায় জাতীয়পার্টি (এরশাদ) এর প্রার্থী সামিউল সামিও ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। এ আসনে ভোটারদের সংসদ নির্বাচন নিয়ে রয়েছে নানান রকম ভাবনা। সাধারণ মানুষ এই আসনে এমন একজন প্রার্থী নির্বাচিত করতে চান, যিনি এলাকার উন্নয়নের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করবে।

এই আসনে জয়ের বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী ক্ষমতাসীন দলের হেভিওয়েট প্রার্থী, ৬ বারের নির্বাচিত এমপি প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী। অন্যদিকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এজেডএম রেজওয়ানুল হক মনে করেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে সব আসনেই ধানের শীষ বিজয়ী হবে। কিন্তু উদ্বেগ-উৎকন্ঠার মধ্য দিয়ে ভোটযুদ্ধে লড়তে হচ্ছে এমন অভিযোগ তার। বর্তমানে এ আসনটি রয়েছে আওয়ামী লীগের দখলে।

দিনাজপুর ৫ আসনে মোট ৩ লাখ ৯৯ হাজার ২’শ ৬৪ জন ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে ২ লাখ ৩১ জন পুরুষ এবং ১ লাখ ৯৯ হাজার ২৩৩ জন নারী ভোটার। নতুন ভোটার রয়েছে ৪৩ হাজার ৫৭৯ জন।

এ অাসনের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষেরা রাজনীতির বাইরের সমিকরণে বিশ্বাসী। তারা বলছেন, সব প্রার্থীরা ভোটের আগে অনেক প্রতিশ্রুতি দিলেও ভোট শেষে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। আবার নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা এই অঞ্চলে দুইটি খনির পাশাপাশি রয়েছে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র যদি এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে বেশি বেশি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায় তবে বেকার সমস্যার সমাধান হবে।