চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

দরিদ্রদের দায়িত্ব নিলে করোনা সংক্রমণ কমানো সম্ভব: ইউএনডিপি

Nagod
Bkash July

বিশ্বের ১৩২টি দেশ যদি তাদের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মৌলিক চাহিদা পূরণের দায়িত্ব নিয়ে তাদের ঘরে থাকার সুযোগ করে দেয় তাহলে বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণ কমিয়ে আনা সম্ভব। ইউএনডিপি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বে এই দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দুশ’ ৭০ কোটি।

Reneta June

জাতিসংঘের উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা ইউ. এন. ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (ইউএনডিপি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে।

করোনা মোকাবেলায় ওই প্রতিবেদনে তিনটি পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তাদের মতে দরিদ্র এই মানুষগুলো গড়ে যে পরিমাণ অর্থ আয় করতো তাদেরকে সেই পরিমাণ অর্থ সরবরাহ করা।

এ প্রসঙ্গে ইউএনডিপি’র ব্যবস্থাপক অ্যাচিম স্টেইনার বলেছেন, অভূতপূর্ব সময়ে বৈপ্লবিক কিছু সামাকি এবং অর্থনৈতিক ‍উদ্যোগ নিতেই হয়। দরিদ্রতম মানুষগুলোকে কিছু সময়ের জন্য তাদের উপার্জনের সমান অর্থ সরবরাহ করা যেতেই পারে। কেবল বড় বড় বাজার বা বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে রক্ষার জন্য বেলআউট বা প্রণোদনা দেয়া হবে সেটা হতে পারে না।

করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত ন্যূনতম ১৪ কোটি ৮০ লাখ মানুষ সংক্রমিত হয়েছে। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ৬ লাখ ১০ মানুষের মৃত্যর খবর পাওয়া গেছে।

এ পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ১৯৯০ সালের পর এই মহামারী এবং এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে দারিদ্র বাড়বে। এর ফলে ক্ষুধাপিড়ীত মানুষের সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ২৬ কোটি ৫০ লাখ।

ইউএনডিপি’র প্রতিবেদনের বলা হয়েছে, বিশ্বের বড় বড় অর্থনীতির দেশগুলো প্রতিবছর যে পরিমাণ অর্থ ঋণ দেয়, সে অর্থ দিয়েই দারিদ্র সীমার নীচে চলে যাওয়া মানুষের মৌলিক চাহিদা মেটানো সম্ভব।

বড় বড় অর্থনীতির দেশগুলোর ২০টি গ্রুপ গত এপ্রিলে একমত হয়ে সিদ্ধান্ত নেয় যে, এ বছরের শেষ পর্যন্ত তারা দরিদ্র দেশগুলোকে দেয়া ঋণ আদায় বন্ধ রাখবে। জাতিসংঘর মহাসচিব এন্টানিও গুটরেস অবশ্য দরিদ্র এবং মধ্য আয়ের দেশগুলোকে ঋণে ছাড় দেয়ারও আহ্বান জানিয়েছিলেন।

জি২০ দেশগুলোর ঋণ আদায় স্থগিত কর্মসূচির ফলে দেখা গেছে ঋণের অর্থ ফেরত না দেয়ার ফলে ৪২টি দেশ এ পর্যন্ত ৫শ কোটি ৩০ লাখ ডলার সাশ্রয় করতে সক্ষম হয়েছে।

BSH
Bellow Post-Green View