চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের নিয়ে কাজ করে বন্ধু অ্যাওয়ার্ড পেলেন যারা

চ্যানেল আই ছাড়াও অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান

শুধু সাংবিধানিক স্বীকৃতি নয়, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সুশীল সমাজ এবং বিদেশি কূটনীতিকরা।

এসময় চ্যানেল আইসহ তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের বন্ধু অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তারা হিজড়াদের সঠিক পরিসংখ্যান নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তারা।

বিজ্ঞাপন

সমাজের অবহেলিত এই জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয় ২০১৩ সালে। তারপরও সব ক্ষেত্রেই পিছিয়ে আছে তারা। তাদের সঠিক সংখ্যা নিয়েও প্রশ্ন আছে। সরকারি পরিসংখ্যানে তৃতীয় লিঙ্গের ১০ হাজার মানুষের কথা বলা হলেও উন্নয়নকর্মীরা বলছেন, এ সংখ্যা আরও বেশি।

বিজ্ঞাপন

বেসরকারি সংস্থা বন্ধুর তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের উন্নয়নে কাজ করা বিভিন্ন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে বন্ধু অ্যাওয়ার্ড দেন। পুরস্কার তুলে দেন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত। চ্যানেল আইয়ের পক্ষে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন চ্যানেল আই ও ইমপ্রেস গ্রুপের পরিচালক মুকিত মজুমদার বাবু।

বিদেশি কূটনীতিকরা আশা করেন, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের মতো লিঙ্গগত, ধর্মীয় এবং সামজিকভাবে সংখ্যালঘু ও ভিন্নমতের মানুষের জন্য আরো সহানুভূতিশীল উদ্যোগ প্রয়োজন।

চ্যানেল আই ছাড়াও রাজশাহীর পলি হিজড়া, পুলিশের এআইজি বিধান ত্রিপুরা, অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, অধ্যাপক রতন সিদ্দিক, ডেনিম এক্সপার্ট, ন্যাশনাল লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস, আইন ও সালিশ কেন্দ্র এবং নৃত্য পরিচালক কবিরুল ইসলাম রতন এ অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে: