চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

তিন ধরনের দূষণে রাজধানীতে বাড়ছে রোগ, কমছে শ্রবণ ও চিন্তাশক্তি

কমপক্ষে তিন ধরনের দূষণের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছেন রাজধানীবাসী। শব্দ, বায়ু ও বর্জ্য দুষণে প্রাণঘাতি রোগ যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে সংক্রামক ও অসংক্রামক দুই ধরনের রোগই। শব্দ দূষণে শ্রবণ ও চিন্তাশক্তি তো কমছেই, দেশে বায়ু দূষণে বছরে মারা যাচ্ছেন ১ লাখ ২৩ হাজার মানুষ।

রাজপথে যানবাহনের উচ্চ শব্দে হর্নে বিশ্বের প্রায় সব দেশকে ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ। ট্রাফিক জ্যামে কিংবা সিগনালে দাঁড়িয়ে গাড়ির হর্ন বাজানোর খারাপ নজির রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রাস্তার পাশের বর্জ্য থেকে শুরু করে নানাভাবে বায়ুদূষণেও নেতিবাচক তালিকার শীর্ষের দিকেই বাংলাদেশের অবস্থান। ‘স্টেট অব গ্লোবাল এয়ার’ এর সবশেষ রিপোর্টে ঢাকার অবস্থান ৪র্থ। এই রিপোর্ট অনুযায়ী, বায়ু দূষণের শিকার এই শহরের ৯০ শতাংশ মানুষ।

বিজ্ঞাপন

মানবদেহের শব্দ গ্রহণের সাধারণ মাত্রা ৪০ থেকে ৫০ ডেসিবল। পরিবেশ অধিদপ্তরের জরিপে রাজধানীর শব্দ দূষণের মাত্রা প্রায় তিনগুণ অর্থাৎ প্রায় ১৩০ ডেসিবল। আর বায়ু দূষণের জন্য ৫৮ শতাংশ দায়ী ঢাকার আশপাশের ইটভাটা, ২০ শতাংশ যানবাহন থেকে, ২০ শতাংশ নির্মাণ কার্যক্রম থেকে আর অবশিষ্ট ১২ শতাংশ বর্জ্য ও অন্যান্য কারণে হচ্ছে।

শব্দদূষণের কারণে রাজধানীর প্রায় ১২ শতাংশ মানুষের শ্রবণ শক্তি কমে গেছে। স্বাস্থ্য নিয়ে বেড়েছে অন্যান্য জটিলতাও।

দূষণে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়লেও আইনী ব্যবস্থা এখনো শক্তিশালী নয়। ২০১৬ সালে শব্দ দূষণ বিধিমালা প্রণয়ন করা হলেও তা কার্যকর হয়নি। আর বায়ুদূষণ রোধে নতুন আইন এখনও প্রস্তুতিপর্বে।

দেখুন নিচের ভিডিও রিপোর্টে:

Bellow Post-Green View