চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

তামিম-মুশফিকদের অনুশীলনে ফেরাতে প্রস্তুত আট ভেন্যু

করোনাভাইরাসের কারণে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে পড়ে গেছে দীর্ঘ বিরতি। মধ্য মার্চ থেকে লকডাউনে দেশের ক্রিকেট। জাতীয় দলের খেলোয়াড়রাও শুরু করতে পারেনি অনুশীলন। তামিম-মুশফিকসহ দেশের সকল শীর্ষ ক্রিকেটারের অপেক্ষার অবসান হতে পারে শিগগিরই। টাইগারদের মাঠে ফেরানোর ব্যবস্থা শতভাগ চূড়ান্ত। এখন শুধুই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, খেলোয়াড়দের মাঠে ফেরাতে কোভিড-১৯ নির্দেশিকা অনুসারে প্রস্তুত করা হয়েছে দেশের সকল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট হয় এমন কয়েকটি স্টেডিয়াম।

বিজ্ঞাপন

বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিয়ে জানালেন, ‘ক্রিকেটারদের এখন না হলেও পরবর্তীতে অনুশীলনে ফেরাতেই হবে। ক্রিকেট পুনরায় শুরু করার প্রক্রিয়াটি অনুশীলন দিয়েই হওয়া উচিত। যে কারণে আমরা অনুশীলনের সুযোগ-সুবিধা প্রস্তুত এবং কার্যকরী রেখেছি।’

বিজ্ঞাপন

বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সারাদেশে একশরও বেশি মাঠকর্মী, ভেন্যুকর্মী নিরলস কাজ করে চলেছেন। স্টেডিয়ামের বিভিন্ন স্থান বিসিবির কোভিড-১৯ নির্দেশিকা অনুসারে স্বাস্থ্যবিধি এবং সুরক্ষামান অনুসরণ করে জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে নিয়মিত। স্যানিটাইজেশন প্রোটোকল অনুসরণ করে কাজ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। করোনাকালে পর্যাপ্ত কর্মশক্তি নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জ হলেও পর্যাপ্ত সংখ্যক ক্লিনার নিয়োগ করা হয়েছে বলেও জানায় বিসিবি।

হোম অব ক্রিকেট মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম, চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম, সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম, খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম, বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম, কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং রাজশাহীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে।

ভেন্যুকর্মীরা স্টেডিয়ামগুলিতে পিচ, আউটফিল্ড এবং রক্ষণাবেক্ষণে সক্রিয় রয়েছেন, যা একটি চলমান প্রক্রিয়া। নিয়মিত কাজের মধ্যে মাঠে পানি সরবরাহ, ঘাস কাটা, সার এবং কীটনাশক প্রয়োগ, বারমুডা ঘাস রোপণ, আগাছা অপসারণ চলছে।

এছাড়া সব স্টেডিয়ামের সরঞ্জাম এবং যন্ত্রপাতি চেকিং, সার্ভিসিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং পানির সাব-স্টেশনগুলির জন্য বিশেষজ্ঞরা কাজ করে চলেছেন।