চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

তামিমদের হারিয়ে আসর জমিয়ে তুলল মাহমুদউল্লাহরা

Nagod
Bkash July

হেরে গেলেই বিদায় নিতে হবে টুর্নামেন্ট থেকে। এমন ম্যাচে রুবেল হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে লক্ষ্যটা রাখা গিয়েছিল নাগালেই। কিন্তু ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই দুর্দশা। ৮ রানে ২ উইকেট। সাজঘরে নাঈম শেখ ও লিটন দাস।

Reneta June

কঠিন অবস্থা থেকে দলকে টেনে নেন ইমরুল কায়েস, মাহমুদুল হাসান জয় ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। শেষপর্যন্ত তামিম ইকবাল একাদশকে সহজেই হারিয়েছে তারা। ২২২ রানের লক্ষ্য ছুঁয়েছে ৬ উইকেট খুইয়ে ৫ বল হাতে রেখে।

তামিম একাদশ: ২২১/৮ (৫০ ওভার), মাহমুদউল্লাহ একাদশ: ২২২/৬ (৪৯.১ ওভার)
ফল: মাহমুদউল্লাহ একাদশ ৪ উইকেটে জয়ী।

দারুণ জয়ে ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখল মাহমুদউল্লাহ একাদশ। বুধবার তিন দলের টুর্নামেন্টের শেষ লিগ ম্যাচে নাজমুল হোসেন শান্ত একাদশের কাছে তামিমরা হারলে মাহমুদউল্লাহ একাদশের ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে। শুক্রবার টুর্নামেন্টের ফাইনাল।

তিন ম্যাচে দুই জয়ে ফাইনালের পথে এক পা বাড়িয়ে রেখেছে শান্ত একাদশ। তিন ম্যাচে এক জয় তামিমদের। চার ম্যাচের দুটিতে জিতেছে মাহমুদউল্লাহরা।

সব দলেরই জয় ও পয়েন্ট সমান হলে বিবেচনায় আসবে রানরেট। যেখানে সবার শীর্ষে রয়েছে শান্ত একাদশ।

সোমবার মিরপুরে লো-স্কোরিং ম্যাচে শুরুর বিপর্যয় থেকে দলকে টেনে তোলেন ইমরুল। ৫৫ বলে ৪৯ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন বাঁহাতি ওপেনার। ১ রানের জন্য ফিফটি পাননি।

যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা মাহমুদুলের সঙ্গে ইমরুলের জুটিতে আসে ৮৪ রান। পরে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে মাহমুদুলের জুটিও জমে ওঠে। ৫৮ রান করে মাহমুদুল সাজঘরে ফেরার আগে জুটিতে আসে ৫৬ রান।

সেখান থেকে নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে জয়ের পথে এগিয়ে যান অধিনায়ক। খেলা শেষ করে ছাড়তে পারেননি ২২ গজ। জয় থেকে যখন ৯ রান দূরে আউট হন মাহমুদউল্লাহ। খেলেন ৬৭ রানের ইনিংস। ২৬ রানে অপরাজিত থাকেন সোহান।

তামিম একাদশের বোলার সাইফউদ্দিন নেন ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান, খালেদ আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম।

আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে তামিমদের শুরুটা হয় খুব বাজে। ১৭ রানে তারা হারায় ৪ উইকেট। দলের কঠিন সময়ে হাল ধরেন ইয়াসির আলি রাব্বি ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। পঞ্চম উইকেট জুটিতে ১১১ রান যোগ করে দলকে নিয়ে যান দুইশর পথে।

শেষদিকে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও সাইফউদ্দিনের ক্যামিও ইনিংসে ২২১ রানের লড়াকু পুঁজি পায় তামিমের দল। ইয়াসির ৬২, মাহিদুল ৫৭, মোসাদ্দেক ৪০ ও সাইফউদ্দিন করেন ৩৮ রান।

রুবেল ১০ ওভারে ৩৪ রানে নেন ৪ উইকেট। মেডেন ওভার পান তিনটি। স্লগ ওভারে ইবাদত হোসেন নেন ২ উইকেট। আবু হায়দার রনি নিয়েছেন একটি উইকেট।

রুবেল ম্যাচ সেরা ও সেরা বোলারের পুরস্কার পেয়েছেন। সেরা ফিল্ডার লিটন দাস ও সেরা ব্যাটসম্যান হয়েছে মাহমুদুল হাসান।

BSH
Bellow Post-Green View