চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

তাইওয়ানের সঙ্গে বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের কর্মকর্তাদের সংযোগের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময়ব্যাপী চলমান বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করবে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এমন তথ্য জানিয়েছেন।

কয়েক দশক আগে নিজে থেকেই এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তখন উদ্দেশ্য ছিলো এই দ্বীপের মালিকানা দাবি করা চীনা সরকারকে সন্তুষ্ট করা। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এখন এসব নিয়মনীতি অকার্যকর।

যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপে চীনা সরকার অসন্তুষ্ট হবে এবং ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়বে। আসছে ২০ জানুয়ারি নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শপথ নেওয়ার আগে ট্রাম্প প্রশাসনের শেষ দিনগুলোতেই এমন সিদ্ধান্ত এলো।

চীন তাইওয়ানকে একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবেই বিবেচনা করে কিন্তু তাইওয়ানের নেতাদের দাবি এটি একটি সার্বভৌম রাজ্য। তাদের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে।

বিবৃতিতে পম্পেও বলেন, আমেরিকার কূটনীতিক এবং তাদের তাইওয়ানিজ সমমনাদের সংযোগ সীমাবদ্ধ করার উপর জটিল নিষেধাজ্ঞা দেয়। আজ আমি সেই সব স্বেছায় প্রদত্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছি।

তিনি যোগ করেন, তাইওয়ানের প্রাণবন্ত গণতন্ত্র রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। এসব নিষেধাজ্ঞা এখন আর বৈধ নয়।

প্রতিক্রিয়ায় চীন তাদের ‘ওয়ান চায়না’ মূলনীতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। ১৯৪০ সালে এক গৃহযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে আলাদা হয়ে যায় চীন ও তাইওয়ান। তাইওয়ানের আন্তর্জাতিক কার্যক্রম সীমাবদ্ধ করার খুব চেষ্টা করেছে বেইজিং।

দুপক্ষই প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য লড়াই করছে। সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আবার বেড়েছে। দ্বীপটিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বল প্রয়োগের কথাও অস্বীকার করেনি চীন।

অল্প কিছু দেশের স্বীকৃতি পেলেও তাইওয়ানের গণতান্তিক সরকারের সঙ্গে অনেক দেশের সংযোগ রয়েছে।