চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

তরুণরা আক্রান্ত হওয়ায় বাসার বয়স্করা মারা যাচ্ছেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, অল্প বয়সের ছেলেমেয়েরা বাইরে ঘুরে সংক্রমিত হয়, বাসায় নিয়ে চলে আসে এবং বয়স্ক লোকদের সংক্রমিত করে। ফলে তারাই মৃত্যুবরণ করছে। এই বিষয়ে সবার সজাগ হওয়া উচিত।

আজ মঙ্গলবার বিকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর মহাখালীর জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ১০ শয্যার নিবিড়ি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রসহ (আইসিইউ) ১৫০ শয্যার করোনা ইউনিটের উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

জাহিদ মালেক বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ কিন্তু অল্প বয়সের ছেলেমেয়েদের মধ্যে হচ্ছে। এই অল্প বয়সের ছেলেমেয়েদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যেহেতু বয়স্কদের থেকে অনেক বেশি, তাদের তেমন ক্ষতি হয় না। তাদের মৃত্যু হয় না সেই সংখ্যায়। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হচ্ছে ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের। তারা তো ঘর থেকে বেশি বাইরে বের হন না, তারপরও কীভাবে সংক্রমিত হচ্ছেন। ওই তরুণ কিশোর-কিশোরীদের সতর্ক হতে হবে। তাদের কারণে যেন বয়স্করা মৃত্যুবরণ না করেন। সিটি করপোরেশন এলাকার আশেপাশে আমাদের সংক্রমণের হার ৮০-৯০ শতাংশ। সেজন্য মৃত্যুর হারও ৮০-৯০ শতাংশ। কাজেই এসব জায়গায় যারা বাস করেন, তাদেরকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাস রাতারাতি দেশ থেকে চলে যাবে না। তবে করোনাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। উন্নত বিশ্বের অনেক দেশ করোনা নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছে। আমাদের দেশেও করোনা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আছে। জনসচেতনতার মাধ্যমে এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, দেশে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে সরকার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ১৫৯ শয্যার করোনা ইউনিট চালু করা হয়েছে। এভাবে দেশের প্রতিটি হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য আলাদা ইউনিট চালু করা হচ্ছে।

আমাদের যে পরিমাণ অক্সিজেন আছে তা যথেষ্ট উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ভারত থেকে গত এক সপ্তাহ যাবত অক্সিজেন পাচ্ছি না। কিন্তু আমরা তা চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছি, লিকুইড অক্সিজেনের পাশাপাশি আমরা গ্যাস অক্সিজেন সরবরাহ করছি। তাছাড়া  মজুতেরও ব্যবস্থা করেছি। এখন আমরা ভালো আছি, তবে আমরা চাই না, রোগী আরও ৩ গুণ বেড়ে যাক। তখন কিন্তু সমস্যার পড়ে যাবো। আমাদের সংক্রমণের হার ২৪ শতাংশে উঠে গিয়েছিল, সেটা এখন ১২ শতাংশে নেমে এসেছে। এটা অনেকটা আশার আলো যে, কমছে। আমরা চাই, এটা আরও কমুক, মৃত্যুর হারও কমে আসুক।’

বিজ্ঞাপন