চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণ: আবারও পেছালো তদন্ত প্রতিবেদনের তারিখ

রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৬ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার আলোচিত এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় নতুন এ দিন ধার্য করেন ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরা।

এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছাল।

এর আগে ৭ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরা মামলার এজাহার গ্রহণ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৮ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।

৬ জানুয়ারি সকালে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে ছাত্রীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি উত্তর) মামলাটি তদন্ত করছে।

গত ৫ জানুয়ারি বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে রওনা দেন ওই শিক্ষার্থী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি রাজধানীর কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে বাস থেকে নামেন। এরপর একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তার মুখ চেপে ধরে সড়কের পেছনে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে ধর্ষণের পাশাপাশি তাকে নির্যাতনও করা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। ধর্ষণের একপর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

বিজ্ঞাপন

রাত ১০টার দিকে নিজেকে একটি নির্জন জায়গায় আবিষ্কার করেন ওই ছাত্রী। পরে সিএনজি নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে যান। পরে রাত ১২টার দিকে ওই ছাত্রীকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়।

পরে ৮ জানুয়ারি শেওড়া রেল ক্রসিং এলাকা থেকে ৩০ বছর বয়সী মজনুকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

জিজ্ঞাসাবাদে মজনু পেশা হিসেবে দিনমজুরি ও হকারির কথা বললেও তিনি ‘ছিনতাই, রাহাজানি, চুরির মতো কাজেও’ জড়িত ছিলেন বলে জানায় র‌্যাব।

র‌্যাব আরও জানায়, মজনু ‘সিরিয়াল রেপিস্ট’। তিনি বিভিন্ন সময় প্রতিবন্ধী, ভিক্ষুক নারীদের ধর্ষণ করেন।

গ্রেপ্তারের পর মজনুকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে গোয়েন্দা পুলিশ। ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে ১৪৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি। ওই শিক্ষার্থীও আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। এরপর ডিএনএ টেস্টেও ধর্ষণে মজনুর সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়।

মজনু বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।

বিজ্ঞাপন