চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ঢাবিতে সিরিজ হাতবোমা বিস্ফোরণের পেছনে কারা?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত কয়েকদিনে একাধিকবার ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী মধুর ক্যান্টিনসহ একাধিক জায়গায় বারবার হাতবোমার বিস্ফোরণ হয়েছে। সোমবার সকালে সর্বশেষ বিস্ফোরণে হৃদয় নামের মধুর ক্যান্টিনের এক কর্মচারিও আহত হয়েছে।

চ্যানেল আই অনলাইনের প্রতিবেদনে জানা যায়: সকাল এগারোটার কিছু আগে বিকট শব্দে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে সবাই আতঙ্কিত হয়ে দ্বিকবিদিক ছোটাছুটি করতে থাকে। হৃদয় নামের মধুর ক্যান্টিনের এক কর্মচারি আহত হয়।

এর আগে রোববার বিকাল সাড়ে ৫টায় মধুর ক্যান্টিনের সামনে বিকট শব্দে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় এবং গত ২৬ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের একই স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আজকের ঘটনাসহ গত কয়েকদিনের মধ্যে মোট চারবার ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলো।

বিজ্ঞাপন

ডাকসু ভবনে হামলাসহ গত কয়েক দিনে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ঢাবিতে। এরপর থেকেই সিরিজ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা। বিষয়গুলো শঙ্কার উদ্রেক করছে। এটা এ কারণেও যে, খোদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বলছেন, ‘কিছু সন্ত্রাসী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শত্রু ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার জন্য এগুলো করে যাচ্ছে।’

এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে যারাই জড়িত থাকুক না কেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেই আমাদের আশাবাদ। শুধু কথার কথা নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় ঢাবি প্রশাসনকে কঠোর অবস্থানে যেতে হবে। কারণ, সিরিজ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা অস্বাভাবিক কোনো ঘটনার ইঙ্গিত বলেই আমাদের শঙ্কা।

ঢাবিতে সন্ত্রাসীরা যদি নির্বিঘ্নে সিরিজ বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে, তাহলে তারা অনাকাঙ্খিত যেকোনো ঘটনার মাধ্যমে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে পারে। আর ঢাবি অশান্ত হয়ে পড়লে এর রেশ দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও ছড়িয়ে পড়বে। যা কখনোই আমাদের কাম্য নয়।

এজন্য সিরিজ বিস্ফোরণের ঘটনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে নিয়ে শিগগিরই এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে আমরা সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

বিজ্ঞাপন