চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

নির্বাচনে যেসব ‘অনিয়ম’ দেখছেন তাবিথ আউয়াল

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ করেছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আওয়াল।

তিনি বলেছেন: এজেন্টদের বের করে দেওয়া, ভোটকেন্দ্রের বাইরে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে ভোট দিতে নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি অকার্যকর ইভিএম মেশিন ব্যবহার করা হয়েছে।

শনিবার বনশ্রী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া পরিদর্শন শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব অভিযোগ করেন।

তাবিথ বলেন: আমি আমার ভোটাধিকার প্রয়োগ করার পর এসেছিলাম বনশ্রী আইডিয়াল হাইস্কুলে। এখানে এসে আমরা ব্যাপক অনিয়ম দেখতে পাই। ভোটাররা যেন ঢুকতে না পারে সেজন্য বাইরে ব্যাপক সংখ্যক লোক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছিল। আমাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছিলো। আমি প্রিজাডিং অফিসার এবং পুলিশের সহায়তায় এজেন্টদের পুনরায় বসাই। পাশাপশি ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করি। সেসময় আমরা পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে গিয়েছিলাম, এভাবে যদি দরজা বন্ধ করে রাখে, ভোটাররা তো আসতে পারবে না।

বিজ্ঞাপন

নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম জানিয়ে তিনি আরও বলেন: অনেকগুলো কেন্দ্র আমরা দেখেছি, সবগুলোর একটা সেইম চিত্র হলো ভোটার উপস্থিতি অনেক কম। এটা চারটা পর্যন্ত। চারটার পর যদি তথ্য বদলে যায় সেটা তো আর আমরা বলতে পারবো না, সে তথ্য কাউন্টও করতে পারবো না। আরেকটা বিষয় কেন্দ্রের সামনে একটা মহড়া দেখিয়ে চেষ্টা করা হয়েছে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর, যেন তারা ভোট দিতে না যায়।

তাবিথ বলেন: যেখান থেকে আমরা শুরু করেছিলাম, সেখানে আবার এসছি। এসে দেখলাম, আমরা যে ছয়জন এজেন্টকে আমরা বসিয়ে দিয়ে গিয়েছিলাম, তাদের আবারও বের করে দেওয়া হয়েছে। আমি পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রশ্ন করলাম, তিনি বললেন: ওনার কিছু করার ছিলো না লোকজন অনেক বেশি ছিল।

এসময় নির্বাচনে কারচুপিরও অভিযোগ করেন তাবিথ। তিনি বলেন: আইডিয়ালে গিয়ে দেখলাম দুইটা পোলিং রুমের দরজা বন্ধ। একটা খুলে দেখতে পেলাম ফিঙ্গার প্রিন্ট ওভার অ্যাক্ট করার যে সিস্টেম সে সিস্টেমে চার পাঁচটা ভোট দিয়ে ফেলেছে। আমি প্রশ্ন করেছিলাম, সে বলেছিল মেশিন ঠিক মতো কাজ করছিল না, সে ঠিক করছিল। এর মধ্যে কিছু ভোট কাউন্ট বেড়ে গেছে।

নষ্ট ইভিএম মেশিন ব্যবহারে অভিযোগও করেন বিএনপির এ প্রার্থী। বলেন: আরেকটা রুমে গিয়ে দেখতে পেলাম মেশিন বদলে ফেলা হয়েছে। আর আগে ব্যবহৃত মেশিন অরক্ষিতভাবে রুমের এক পাশে ফেলে রাখা হয়েছে। প্রিজাইডিং অফিসারের কাছে প্রশ্ন করে জানতে পারলাম, আগেরটা নষ্ট হয়েছিল বলে বদলে ফেলা হয়েছে। এবারের নির্বাচনে ৩০ থেকে ৩৩ শতাংশ মেশিন নষ্ট ছিল।

বিজ্ঞাপন