চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ঢাকায় শোয়ার্জনেগারের ‘টার্মিনেটর’

হলিউডের সিনেমাপ্রেমীদের কাছে অন্যতম প্রিয় নাম ‘টার্মিনেটর’। এ সিরিজের সিনেমাগুলো দারুণ আলোড়ন তুলেছে বক্স অফিসে। সুখবর হলো, আবারও পর্দায় আসছে ‘টার্মিনেটর’।

১ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সিরিজের নতুন ছবি ‘টার্মিনেটর: ডার্ক ফেইট’। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাবে ছবিটি।

প্রায় ২০০ মিলিয়ন বাজেটের ‘টার্মিনেটর: ডার্ক ফেইট’ ছবি পরিচালনা করেছেন টিম মিলার আর প্রযোজনা করেছেন জেমস ক্যামেরন ও ডেভিড ইলিসন।

মূলত ‘ডার্ক ফেইট’ জেমস ক্যামেরন পরিচালিত ‘টার্মিনেটর: জাজমেন্ট ডে’র (১৯৯১) সরাসরি সিক্যুয়েল। তবে তাতে শেষ তিন ছবি টার্মিনেটর থ্রি: রাইজ অফ দ্য মেশিন’ (২০০৩), ‘টার্মিনেটর স্যালভেশন’ (২০০৯) এবং ‘টার্মিনেটর জেনিসিস’-এর (২০১৫) অনেক যোগসূত্র থাকবে। ‘টার্মিনেটর’-এর শেষ তিন পর্বে সরাসরি যুক্ত না থাকলেও সেগুলো থেকে তিনি অনেক কিছু শিখেছেন বলে জানান ক্যামেরন।

‘টার্মিনেটর: ডার্ক ফেইট’ দর্শকদের জন্য দারুণ সব চমক নিয়ে হাজির হচ্ছে। প্রযোজক জেমস ক্যামেরন অ্যাকশন হিরো শোয়ার্জনেগারের বিপরীতে দীর্ঘ বিরতির পর ফিরিয়ে আনলেন অ্যাকশন কুইন লিন্ডা হ্যামিল্টনকে। এবার প্রধান চরিত্রেই থাকছেন তিনি। বিখ্যাত সারাহ কনর চরিত্রে আবারও অভিনয় করবেন এই অভিনেত্রী।

ছবিটি নিয়ে আর্নল্ড বলেন, ‘কঠোর পরিশ্রম কর এবং নিষ্ঠার সঙ্গে খেল’। পুরো সিনেমাটি এই মূলনীতির ওপরেই দাঁড়িয়ে। তিনি বলেন ‘আমার মতে এটি একেবারেই ভিন্ন গল্পের আরেকটি টার্মিনেটর সিনেমা। আর এর পুরোটা জুড়ে জেমস ক্যামেরনের ছোঁয়া রয়েছে। তাই এটা সেই পুরনো টার্মিনেটরের দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। এখন পর্যন্ত যতগুলো টার্মিনেটর সিনেমা দর্শকরা পেয়েছেন, তার মধ্যে এটাতেই সবচেয়ে বেশি অ্যাকশন দৃশ্য থাকছে।

ক্যামেরন জানান, চলচ্চিত্রটির নির্মাণ শুরুর আগে এর চিত্রনাট্য নিয়ে তারা বেশ কয়েক সপ্তাহ কাজ করেছেন তিনি এবং তার টিম। তার বিশ্বাস এটি থেকে নতুন ট্রিলজির সূচনা হবে। তিনি বলেন ‘আমরা ‘ডার্ক ফেইট’ দিয়ে যদি যথেষ্ট আয় করতে পারি তাহলে আমরা নিশ্চিতভাবে জানি পরের ফিল্মগুলোর কাহিনী কী এবং তার ভবিষ্যত কী হবে।’