চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ডিক্যাপ্রিওর জন্য পিছিয়ে গেল প্যারামাউন্ট, ‘অ্যাপল’ এ ভরসা স্করসিসের

‘স্করসিসের ছবির সমস্ত খরচ দিচ্ছে অ্যাপল। তার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে যে সিনেমাটি আগে থিয়েটারে মুক্তি পাবে, এরপর অ্যাপল টিভিতে সম্প্রচার করা হবে’

মার্টিন স্করসিসের ‘কিলার্স অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করছেন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও এবং রবার্ট ডি নিরো। তাই এই ছবি নিয়ে ভক্তদের উত্তেজনা অনেক বেশি।

আমেরিকান ফিল্ম স্টুডিও প্যারামাউন্টের প্রত্যাশাও অনেক বেশি ছিল সিনেমাটি নিয়ে। কিন্তু জানা গেছে স্করসিসের সাথে অ্যাপলের একটি চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ি ছবির ২০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বাজেটের পুরো খরচ দিবে অ্যাপল। প্যারামাউন্ট শুধু সিনেমাটি ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনার হিসেবে থাকবে।

বিজ্ঞাপন

হলিউড রিপোর্টারের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্যারামাউন্টের হঠাৎ করে পিছিয়ে যাওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ হলো সিনেমায় ডিক্যাপ্রিওর চরিত্রের পরিবর্তন। বর্তমান সময়ে সুপার হিরো সিকুয়েল ছাড়া প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো লগ্নি করতে ভরসা পায় না। এমনকি সেরা নির্মাতাদের মধ্যে অন্যতম মার্টিন স্করসিসের সিনেমার ক্ষেত্রেও ভরসা পায়না তারা। এমনটাই ঘটেছে ‘কিলার্স অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন’ সিনেমার ক্ষেত্রেও।

বিজ্ঞাপন

শুরু থেকেই প্যারামাউন্ট স্করসিসকে সিনেমার বাজেট কমিয়ে আনার জন্য অনুরোধ করছিল। এখন অ্যাপল ছবির পুরো খরচের দায়িত্ব নিয়ে নেয়ায় তারা শুধুমাত্র পার্টনার হিসেবে পাশে থাকছে।

সূত্রের খবর, ছবির তারকাদের যে চরিত্রে অভিনয় করানোর কথা ছিল, স্করসিস তা পরে বদলে ফেলেছেন। ছবির নায়ক হিসেবে অভিনয় করার কথা ছিল ডিক্যাপ্রিওর। টম হোয়াইট চরিত্রে তার বেশ কয়েকটি খুনের রহস্য সমাধান করার কথা ছিল। কিন্তু নতুন ভার্সনে ডিক্যাপ্রিওকে দেখা যাবে ছবির খল চরিত্র রবার্ট ডি নিরোর ভাতিজা হিসেবে। অর্থাৎ মূল চরিত্রে বদলে ডিক্যাপ্রিওর চরিত্রটি ছোট হয়ে গেছে। আর একারণেই ছবির পেছনে অর্থ লগ্নি করার সাহস পাচ্ছিল না প্যারামাউন্ট।

নেটফ্লিক্স, ইউনিভার্সাল সহ আরও অনেক স্টুডিও ছবিটির ব্যাপারে আগ্রহী থাকলেও সুযোগ করে নিয়েছে অ্যাপল। তবে অ্যাপলের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে যে সিনেমাটি আগে থিয়েটারে মুক্তি পাবে। এরপর অ্যাপল টিভিতে সম্প্রচার করা হবে।

১৯২০ এর দশকের কাহিনী দেখানো হবে ছবিটিতে। ছবির কাহিনী ডেভিড গ্রান-এর নিউইয়র্ক টাইমসের সর্বাধিক বিক্রিত বইয়ের উপর ভিত্তি করে নির্মিত হবে। ওসেজ ন্যাশন হত্যাকারীদের দেখানো হবে যারা তেল আবিষ্কার হওয়ার পরে একে একে নেটিভ আমেরিকান উপজাতিদের হত্যা করেছিলো। এই খুনিরা এফবিআইয়ের নজরে আসে এবং তদন্ত শুরু হয়।