চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতির লুইসের মৃত্যুতে শোক আইসিসির

দুই গণিতবিদ মিলে ক্রিকেটকে বাঁচিয়ে ছিলেন দারুণ এক সমস্যা থেকে। একজন ফ্র‍্যাঙ্ক ডাকওয়ার্থ, অন্যজন টনি লুইস। দুজনের অমর কীর্তি ক্রিকেটের বৃষ্টিআইন খ্যাত ‘ডাকওয়ার্থ-লুইস’ পদ্ধতি। দুই খ্যাতনামা গণিতবিদের একজন টনি লুইস ৭৮ বছর বয়সে ত্যাগ করলেন ইহলোক। তার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছে আইসিসি।

ফ্র‍্যাঙ্ক ডাকওয়ার্থকে সাথে নিয়ে জটিল অংক কষে বৃষ্টিআইন তৈরি করেন লুইস। ১৯৯৯ সাল থেকে এ পদ্ধতির ব্যবহার শুরু করে আইসিসি। হিসেবে অনেক জটিলতা ছিল, ছিল অনেক বিতর্ক। সেই হিসেবটা খানিকটা সহজ করেছেন আরেক গণিতবিদ স্টিভেন স্টার্ন। তাই ২০১৪ সাল থেকে ডাকওয়ার্থ-লুইসের সাথে জুড়ে দেয়া হয় স্টার্নের নামও। সেবছর থেকে এই পদ্ধতির নাম হয়েছে ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন পদ্ধতি।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

লুইসের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার জিওফ অ্যালার্ডাইস লিখেছেন, ‘ক্রিকেটে টনির অবদান অসামান্য। বর্তমান ক্রিকেটে বৃষ্টির কারণে নতুন করে যে টার্গেট নির্ধারণ করা হয়, দুইদশক আগে ফ্র‍্যাঙ্ককে সাথে নিয়ে তারই পদ্ধতি দাঁড় করিয়েছেন টনি।’

বিজ্ঞাপন

‘তার অবদান ক্রিকেট যুগ যুগ ধরে মনে রাখবে। তার পরিবার ও স্বজনের প্রতি আমাদের গভীর শোক ও সমবেদনা।’

শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিত ও পরিসংখ্যানে স্নাতক ছিলেন টনি লুইস। অক্সফোর্ড ব্রুকস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নিয়েছেন পরিমাণগত গবেষণা পদ্ধতির একজন প্রভাষক হিসেবে। ২০১০ সালে তাকে অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার খেতাবে ভূষিত করা হয়।