চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ডকেজ কলকাতায় পুরস্কৃত বাংলাদেশের ‘সেল্ফ ফ্যান্টাসি’

ডকেজ কলকাতায় ‘চেরীপিক্স পোস্ট প্রোডাকশন অ্যাওয়ার্ড’ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশের প্রামাণ্যচিত্র ‘সেল্ফ ফ্যান্টাসি’

প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও প্রদর্শনী-সহ প্রামাণ্যচিত্রের পুরো নির্মাণ প্রক্রিয়ার বার্ষিক আয়োজন ডকেজ কলকাতা। প্রতি বছর যেখানে নিজেদের সম্ভাব্য সেরা কাজটি নিয়ে উপস্থিত হন বিভিন্ন দেশের নির্মাতারা। আয়োজনে যোগ্য চলচ্চিত্রগুলোকে করা হয় পুরস্কৃত। আর এবার ডকেজ কলকাতা-২০১৯ এর বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড এর মধ্যে ‘চেরীপিক্স পোস্ট প্রোডাকশন অ্যাওয়ার্ড’ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশের ছবি ‘সেল্ফ ফ্যান্টাসি’।

খবরটি চ্যানেল আই অনলাইনকে নিশ্চিত করেছেন ‘সেল্ফ ফ্যান্টাসি’র পরিচালক রাওয়ান সায়েমা। পরবর্তীতে ডকেজ কলকাতার অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজেও অ্যাওয়ার্ড জয়ীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। যেখানে বাংলাদেশ থেকে একমাত্র নির্মাতা হিসেবে ডকেজ কলকাতার অন্যান্য অ্যাওয়ার্ড জয়ীদের মধ্যে ‘পোস্ট প্রোডাকশন অ্যাওয়ার্ড’ এর জন্য তালিকায় নাম দেখা যায় এই নির্মাতার।

‘চেরীপিক্স পোস্ট প্রোডাকশন অ্যাওয়ার্ড’ জয়ের পর রাওয়ান বলেন, আমি সত্যিই অনুপ্রাণিত। পুরস্কার পাওয়া না পাওয়ার চেয়ে, ডকেজ কলকাতায় নতুন যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেলাম এটা পুরস্কার প্রাপ্তির চেয়ে কম নয়।

বিজ্ঞাপন

নির্মাতা জানান, প্রামাণ্যচিত্রটি কলকাতার চেরীপিক্স প্রোডাকশন লিমিটেড থেকে পোস্টপ্রোডাকশন বাজেটের সম্পূর্ণ ব্যয়ভার এবং কালার কারেকশনসহ সকল সুবিধা তিনি পাবেন।

৪ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ডকেজ কলকাতার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে ১০ মার্চ সন্ধ্যায়। ৭ দিনব্যাপী এই আয়োজনে ভারত ও বাংলাদেশসহ কোরিয়া, ফিলিপাইন, মায়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, আর্মেনিয়া ও নেপালের মোট ২৪ টি প্রজেক্ট মনোনীত হয়।

ডকুমেন্টারির প্রজেক্ট নিয়ে বাংলাদেশ থেকে রাওয়ান সায়েমা ছাড়াও ‘মেকিং প্লেসেস’ নিয়ে মেহেদী মোস্তাফা , যৌথ প্রোডাকশন ‘অন দ্য বেঙ্ক অব অ্যা ডেড রিভার’ নিয়ে শ্যামল কুমার কর্মকার ও সুমিত কাঞ্জিলাল, ‘প্যারাডাইস’ নিয়ে আরিফুর রহমান ও ‘লাস্ট ভিজিট’ নিয়ে আনোয়ার চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন ।

বিশ্বের নানান দেশের পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের প্রজেক্ট উপস্থাপনের এবং প্রযোজক-পরিচালক-বিপণনকারী সংস্থা আর মেন্টরদের মিলনমেলা ‘ডকেজ কলকাতা’ আয়োজনটি। বিশ্বের নানান দেশের চলচ্চিত্র নির্মাতারা তাদের প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নিয়ে কথা বলেন ওয়ান-টু-ওয়ান সেশনে, আলোচনা ও পর্যালোচনা করেন প্রযোজক ও মেন্টরদের সাথে। এমনকি চলে কর্মশালাও। পরবর্তীতে চূড়ান্ত পিচিং এর মাধ্যমে মেন্টররা নির্বাচন করেন বিভিন্ন পর্যায়ে পুরস্কার ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাওয়ার মতোন যোগ্য চলচ্চিত্রগুলো।

বিজ্ঞাপন