চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ট্রিপল সেঞ্চুরিতে চোখ ছিল মুশফিকের

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে দুইদিনেরও বেশি সময় হাতে রেখে ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। ডাবল সেঞ্চুরিতে (২০৩*) পৌঁছানোর পরপরই মুশফিকুর রহিমকে ছাড়তে হয় মাঠ। তিনি অবশ্য আশায় ছিলেন আরও সময় পাবেন ব্যাটিং করার।

মিরপুর টেস্টের শেষ দুইদিনে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সেটি জেনেই হয়ত প্রথম ইনিংসে ২৯৫ রানে এগিয়ে থেকে জিম্বাবুয়েকে দ্রুত ব্যাটিংয়ে নামানোর সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের। যা কাজেও দিয়েছে, নাঈম হাসানের প্রথম ওভারেই পড়েছে সফরকারীদের দুই উইকেট।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ডাবল সেঞ্চুরিকে ডালভাত বানিয়ে ফেলা মুশফিক চোখ রেখেছিলেন আরও সুদূরে। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে জানালেন ট্রিপল সেঞ্চুরির দিকে চোখ ছিল তার।

‘আমার একটা পরিকল্পনা ছিল। সত্যি বলতে কী, ভাবিনি এই সময়ে ইনিংস ঘোষণা করে দিবে। হাতে এখনও দুইদিন সময় আছে। তারচেয়েও বড় কথা আমরা যত ব্যাটিং করবো, উইকেট তত ভাঙতেও পারত। একইসঙ্গে, দলই সবসময় আগে আসবে। চা বিরতির সময় আমাদের এমন কোনো আলোচনা হয়নি। আধঘণ্টার একটু আগে জানতে পারি আজ ওদের ৬ থেকে ৮ ওভারের মতো আমরা দিবো। এরপর আমরা একটু রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেছি।’

বিজ্ঞাপন

‘তার আগে পরিকল্পনা ছিল, একপাশে যদি লিটন থাকে, আমার জন্য সুবিধা হয়। আমার একটা ভাবনা ছিল, ও যদি একশ করে তাহলে আমারও হয়তো রান তিনশর কাছে চলে যাবে। আজকে হতো না, কাল প্রথম সেশনে হয়ে যেতে পারতো (ট্রিপল সেঞ্চুরি)। যদি ভবিষ্যতে এমন সুযোগ আবার আসে, চেষ্টা করব সেটা কাজে লাগানোর। এখন পর্যন্ত যেটা হয়েছে, দলের জন্য আমরা খুব ভালো একটা অবস্থানে আছি।’

‘হতে পারে আবহাওয়ার জন্য (ইনিংস ঘোষণা)। আমি এখনও জিজ্ঞেস করিনি। আমাদের একটা মানসম্পন্ন বোলিং আক্রমণ আছে। আশা করছি, জেতার জন্য আমাদের এই ইনিংসটাই যথেষ্ট হবে।’

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি মুশফিকের। তামিম ও সাকিবের আছে একটি করে। নিজেকে অনন্য উচ্চতায় তোলা মুশফিক পুরো দলকে ঘিরেই সম্ভাবনা দেখছেন, অচিরেই ৩০০ ছোঁবেন কোনো ব্যাটসম্যান।

‘গতবার যখন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলাম, তখনও কিন্তু এই প্রশ্ন আমাকে করা হয়েছিল। তখনও বলেছিলাম, অবশ্যই সম্ভব। তখনও বলেছি, শুধু আমার জন্য না টপঅর্ডারে যারাই ব্যাট করে তাদের সবার জন্যই ৩০০ করা সম্ভব।’

‘শান্ত যদি গতকাল পুরোটা সময় খেলে আজ চা বিরতি পর্যন্ত থাকতো, ওরও হয়ে যেতে পারত বা আড়াইশর কাছে যেত। কারণ, ও ঘরোয়া ক্রিকেটেও করেছে। যদি ভবিষ্যতে সুযোগ আসে তাহলে কেন নয়? যদি বিশ্ব ক্রিকেটে তাকান, অনেকেরই দুইটা-তিনটা করে ট্রিপল সেঞ্চুরি আছে। তারা যদি করতে পারে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা কেনো পারবে না।’

বিজ্ঞাপন