চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ট্রাম্পের ভোট জালিয়াতির অভিযোগ খারিজ করে দিলো নির্বাচনী কর্মকর্তারা

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তোলা ভোট জালিয়াতির অভিযোগ খারিজ করে মার্কিন নির্বাচনী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন: এই নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম সুরক্ষিত নির্বাচন। কোনো ভোটিং ব্যবস্থায় ভোট চুরি, বদল বা অন্য কোনোভাবে পরিবর্তন হয়েছে—এমন কোনো প্রমাণ মেলেনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন নির্বাচন নির্বাচন কর্মকর্তারা এই ঘোষণা দেন বলে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম বিবিসি।

বিজ্ঞাপন

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনসংক্রান্ত মার্কিন ফেডারেল কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো প্রমাণ ছাড়াই তার ২৭ লাখ ভোট চুরি করার যে অভিযোগ তিনি করেছেন তা সত্য নয়। যদিও নিজের অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ তিনি দিতে পারেননি। এমনকি জো বাইডেনকে জয়ী হিসেবে মানতেও নারাজ তিনি।

বিজ্ঞাপন

দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে বলেছে, ৪৫টি অঙ্গরাজ্যের নির্বাচন অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন তারা। সেখানে বড় ধরনের কোনো জালিয়াতির কথা জানা যায়নি। মার্কিন অঙ্গরাজ্য সরকারের নির্বাচনী কর্তৃপক্ষও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচনে বড় ধরনের কোনো জালিয়াতির প্রমাণ পায়নি তারা।

৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের চূড়ান্ত ও সরকারি ফল এখনও ঘোষিত হয়নি। তবে গত ৭০ বছরে দ্বিতীয় ডেমোক্র্যাট হিসেবে অ্যারিজোনায় জয় নিশ্চিত করে ২৯০টি ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে বাইডেন তার অবস্থান আরও দৃঢ় করেছেন। আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের রয়েছে ২১৭টি ইলেকটোরাল ভোট।

বিবিসির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা ভোট জালিয়াতির অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া নির্বাচনী কর্মকর্তাদের এই ঘোষণা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ট্রাম্প ও তার ঘনিষ্ঠদের নির্বাচনে অনিয়ম নিয়ে করা অভিযোগ খণ্ডন করে এটিই ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তাদের দেওয়া প্রথম ঘোষণা। যৌথ এই ঘোষণাটি প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের ইলেকশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার কো-অর্ডিনেটিং কাউন্সিল। ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি, ইউএস ইলেকশন অ্যাসিস্ট্যান্স কমিশন এবং অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী কর্মকর্তা ও ভোটিং মেশিন শিল্পের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এই কাউন্সিল গঠিত।

বিবৃতিতে ইলেকশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার কো-অর্ডিনেটিং কাউন্সিল বলে, ‘৩ নভেম্বরের নির্বাচন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম সুরক্ষিত নির্বাচন। এই মুহূর্তে সারা দেশে নির্বাচন কর্মকর্তারা ফল চূড়ান্তের আগে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে দেখছেন। আমাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রমাণহীন বেশ কিছু দাবি ও ভুয়া তথ্য চাউর হলেও আমরা সবাইকে এই নিশ্চয়তা দিতে পারি যে, আমাদের নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা এবং এতে আমাদের আস্থা অত্যন্ত উঁচু মানের। একই ধরনের আস্থা ও বিশ্বাস আপনারও থাকা উচিত। যখন আপনার কোনো প্রশ্ন থাকবে, তখন নির্বাচন পরিচালনাকারী বিশ্বস্ত লোক হিসেবে আপনার উচিত নির্বাচনী কর্মকর্তাদের শরণ নেওয়া।’