চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ট্রাম্পের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবডি ককটেল এখন ভারতে

করোনাভাইরাস

ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রোচে ইন্ডিয়া সোমবার তাদের করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো অ্যান্টিবডি ককটেলের প্রথম ব্যাচ ভারতে চালু করার ঘোষণা দিয়েছে।

ক্যাসিরিভিমাব ও ইমদিভিমাবের সংমিশ্রণে বানানো এই অ্যান্টিবডি ককটেলের প্রতি ডোজের দাম পড়বে ৫৯ হাজার ৭৫০ রুপি।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন গত বছর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন তখন তাকে এই অ্যান্টিবডি ককটেল প্রয়োগ করা হয়েছিল।

এক বিবৃতিতে রোচে জানিয়েছে, ১২০০ মিলিগ্রামের প্রতি ডোজে ৬০০ মিলিগ্রাম ক্যাসিরিভিমাব ও ৬০০ মিলিগ্রাম ইমদিভিমাব থাকে। এক ডোজের দাম পড়বে ৫৯ হাজার ৭৫০ রুপি। মাল্টিডোজ প্যাকে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য হবে ১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ রুপি। একটি প্যাক দিয়ে দুজনকে সেবা দেওয়া যাবে।

সিপলা ভারতের বাজারে এই ওষুধ সরবরাহ করবে। জুনের মাঝামাঝি নাগাদ ককটেলটির দ্বিতীয় ব্যাচ সহজলভ্য হবে।

বিজ্ঞাপন

যৌথ বিবৃতিতে রোচে ও সিপলা বলেছে, প্রথম ব্যাচের ১ লাখ প্যাক ওষুধ থেকে ২ লাখ রোগী লাভবান হতে পারে, কারণ এক প্যকেটে দুজন রোগীকে সেবা দেওয়া যায়।

ভারতের সেরা সব হাসপাতাল ও করোনা কেন্দ্রগুলোতে এই ওষুধ পাওয়া যাবে। ভারতের সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্স কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন(সিডিএসসিও) সম্প্রতি অ্যান্টিবডি ককটেলের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়।  এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশ কিছু দেশে অনুমোদন পায় ককটেলটি।

রোচে ফার্মা ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও ভি সিম্পসন ইমানুয়েল বলেন, করোনাভাইরাস মহামারি রোধে, ভয়াবহ দ্বিতীয় ঢেউকে প্রশমিত করতে ও জীবন রক্ষার প্রচেষ্টাকে সমর্থন দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা আশাবাদি এই অ্যান্টিবডি ককটেল ভারতে সহজলভ্য হলে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা কমবে, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উপর থেকে চাপ কমবে আর যারা উচ্চ ঝুঁকিতে আছে তাদের অবস্থা গুরুতর খারাপ হওয়ার আগেই বেশ বড় ভূমিকা পালন করবে।

অ্যান্টিবডি ককটেলটি করোনা সংক্রমণ নিশ্চিত হলে প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু রোগীদের (অন্তত ৪০ কেজি ওজনের ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী) যারা উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন এবং যাদের অক্সিজেন প্রয়োজন হয় না, তেমন হালকা থেকে মাঝারি করোনা সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হবে।

উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের পরিস্থিতি গুরুতর খারাপ হওয়ার আগেই এই ককটেলের উপকারিতা দেখা গেছে। তাতে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যু কমেছে ৭০ শতাংশ।