চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান মারা গেছেন

ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন)। বুধবার বেলা দেড়টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি।

তিনি দুই বছর ধরেই অসুস্থ ছিলেন বলে জানা গেছে। আর বেশিরভাগ সময়ই তিনি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের বাড়িতে থাকতেন। দীর্ঘ দিন ধরে গ্রামের বাড়িতে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল।

বিজ্ঞাপন

লতিফুর রহমান স্ত্রী, পুত্র, দুই কন্যাসহ আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। লতিফুর রহমানের মরদেহ আজ ঢাকায় আনা হবে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার এশার নামাজের পর গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

লতিফুর রহমান ১৯৪৫ সালে জলপাইগুড়িতে  জন্মগ্রহণ করেন। থাকতেন ঢাকার গেণ্ডারিয়ায়।

পড়াশোনার শুরু সেন্ট ফ্রান্সিস স্কুলে। সেখান থেকে ১৯৫৬ সালে শিলংয়ের সেন্ট এডমন্ডস স্কুলে। তারপর কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে। ১৯৬৫ সালে ঢাকায় ফিরে আসেন লতিফুর রহমান। ঢাকায় এসে ১৯৬৬ সালে ডব্লিউ রহমান জুট মিল ট্রেইনি হিসেবে কাজ শুরু করেন। দেড় বছর কাজ শেখার পর নির্বাহী হিসেবে যোগ দেন। এভাবে কাজ করেন ১৯৭১ সাল পর্যন্ত।

১৯৭২ সালে তিনি সবকিছু নতুন করে শুরু করেছিলেন প্রায় শূন্য হাতে। নিজের হাতে তৈরি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক গ্রুপ ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান ছিলেন।

৭৪ বছর বয়সী এই ব্যবসায়ী ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান ছিলেন। এই গ্রুপ ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক পণ্য, ওষুধ, সংবাদপত্র, চা শিল্প, বিমা ইত্যাদি ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত। ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান করেছে তার গ্রুপ।

লতিফুর রহমানের মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃত্বে থেকে সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকরা শোক জানিয়েছেন।