চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

টেলএন্ডাররাই বোঝালেন টেস্ট কাকে বলে

টপঅর্ডার বা মিডল অর্ডার না, টেলএন্ডাররাই বোঝালেন টেস্ট ক্রিকেট কাকে বলে। বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজে এখনো পর্যন্ত ইংলিশ টেলন্ডাররা অন্তত সেটাই প্রমাণ করেছেন। চট্টগ্রামের পর ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে আট ও নয় নাম্বার ব্যাটসম্যান টেস্টে ক্রিকেটে টপ এবং মিডল অর্ডারের পাশাপাশি টেলএন্ডারদের গুরুত্ব বুঝিয়েছেন।

মিরপুরে প্রথম ইনিংসে দুরন্ত সূচনা করেও শেষ পর্যন্ত তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। বাংলাদেশের ইনিংস একটা সময় মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ১৭১ রান তোলার পরও অলআউট হয় ২২০ রানে। শেষ ৮ উইকেট যায় মাত্র ৪৯ রানে।

বিজ্ঞাপন

কিন্তু বাংলাদেশে ইনিংসের ঠিক উল্টো চিত্র ইংল্যান্ডের ক্ষেত্রে। বাংলাদেশে শেষ আট উইকেটে যেখানে এসেছিল ৪৯ রান, সেখানে ইংল্যান্ডের শেষ তিন ব্যাটসম্যান তুললেন ঠিক ১০০ রান। যেখানে নয় ও দশনম্বর ব্যাটসম্যানের জুটিতে আসে ৯৯ রান। এশিয়ায় নবম উইকেট জুটিতে ইংল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে রেকর্ডও বটে। যার কল্যাণে ১৪৪ রানে ৮ উইকেট হারানো পরও ২৪৪ রান তুলে ২৪ রানের লিড পায় তারা।

sabbir_taj

একটু তুলনা করলেই দুদলের আত্মপ্রত্যয় ও মানসিক শক্তির পার্থক্য বোঝা যায়। বাংলাদেশ ১৭৭/১ উইকেট থেকে ২২০ রানে অলআউট। সেখানে ইংল্যান্ড ১৪৪/৮ থেকে ২৪৪ রান করলো।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের নয় নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন সাকিব আল হাসান। পাঁচনম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমে নয় নাম্বারে আউট হওয়ার আগে ৩২ বল মোকাবেলা করে করেন ৯ রান। দলের বিপর্যয়ের মধ্যে বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার আউটাও ছিল খুবই দৃষ্টিকটু। সেখানে ইংল্যান্ডের নয় নাম্বার হিসেবে ৪৬ রান করেন ক্রিস উকস। তিনি বল খেলেন ১২২টি। টেস্ট ক্রিকেটে বল ও রানের সঙ্গে সময়ের হিসেবটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

শুধু নয় নাম্বার কেন ইংল্যান্ডের ১০ নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে ৪৪ রান করেন আদিল রশিদ। অপরাজিত থাকার সময় ১০৭টি বল মোকাবেল করেন এই ইংলিশ টেলএন্ডার।r

শুধু আজকের ম্যাচ কেন চট্টগ্রাম টেস্টেও অসামান্য দৃঢ়তা দেখিয়েছেন ইংলিশ টেলএন্ডাররা। ওই টেস্টে প্রথম ইনিংসে আট নম্বরে ব্যাট করতে নেমে উকস করেছিলেন ৩৬ রান। আর আদিল রশিদের সংগ্রহ ছিল ২৬। ২৩৭ রানে ৭ উইকেট হারানোর পরও ২৯৩ করেছিল ইংল্যান্ড।

আর বাংলাদেশ ৫ উইকেটে ২২১ রান তোলার পর অলআউট হয়েছিল ২৪৮ রানে। শেষ ৫ উইকেট আউট হয়েছিল ২৭ রানে।

%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be

দ্বিতীয় ইনিংসেও একই অবস্থা। ইংল্যান্ড ৬২ রানে ৫ উইকেট হারানোর পরও শেষ পর্যন্ত ২৪০ রান করেছিল। আর বাংলাদেশ ২৮৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে  নিশ্চিত জয়ের আশা জাড়িয়েও ম্যাচ হারে ২২ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে টেলএন্ডার তাইজুলকে নিয়ে ম্যাচে দারুণ লড়েছিলেন সাব্বির রহমান। তবে দুটি টেস্টেই দুদলের পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন ইংলিম টেলএন্ডাররা।

Bellow Post-Green View